ঝিনাইদহের মাগুরা সদর উপজেলার শ্রীরামপুর গ্রামের আসমা খাতুনকে পিটিয়ে হত্যা করার অভিযোগ উঠেছে তার স্বামী ও পরিবারের লোকজন বিরুদ্ধে। রবিবার (৬ নভেম্বর) এ ঘটনা ঘটে।
আসমার বাড়ি ঝিনাইদহ সদর উপজেলার পদ্মাকর ইউনিয়নের তিওড়দহ গ্রামের সোহরাব হোসেনের মেয়ে।
জানা যায়, ১১ বছর আগে তিওড়দহ গ্রামের হতদরিদ্র সোহরাব হোসেনের মেয়ে আসমার বিয়ে হয় মাগুরা সদর উপজেলার শ্রীরামপুর গ্রামের কলিম মোল্লার ছেলে মহব্বত হোসেনের সঙ্গে। বিয়ের পর তাদের সংসারে দুটি সন্তান জন্ম নেয়। সম্প্রতি মহব্বত হোসেন ও তার পরিবারের লোকজন যৌতুকের টাকার জন্য আসমা খাতুনকে চাপ দেওয়া শুরু করে। তার পরিবার টাকা দিতে না পারায় আসমাকে বিভিন্ন সময় মারধর করে তার স্বামীর পরিবার।
এক পর্যায়ে গত বৃহস্পতিবার (৩ নভেম্বর) যৌতুকের টাকা আনতে না পারায় আসমাকে মারধর করে বাড়ি থেকে বের করে দেয় স্বামীর পরিবার।
রবিবার আসমার স্বজনেরা আসমাকে টাকা দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে আবারও স্বামীর বাড়িতে পাঠায়। টাকা দিতে না পারায় আসমাকে তার স্বামী ও পরিবারের লোকজন পিটিয়ে হত্যা করে ঘরের আড়ার সঙ্গে ঝুলিয়ে রেখে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়।
আসমার ভাই আরমান হোসেন জানান, তার বোন টাকা নিয়ে যেতে না পারায় মহব্বত হোসেন তাকে হত্যা করেছে।
এদিকে মহব্বত হোসেনের পরিবার এলাকায় প্রভাবশালী হওয়ায় আসমা হত্যার বিচার পাওয়া নিয়ে সংসয়ের মধ্যে রয়েছে আসমার ভাই আরমান আলী।
মাগুরা সদর থানার এসআই রফিকুল ইসলাম জানান, সুরতহাল করার সময় আসমার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। এটি স্বাভাবিক মৃত্যু বলে মনে হচ্ছে না। তারপরও ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।
/এআর/








