বিশ্ববিদ্যালয় গতানুগতিক শিক্ষার স্থান নয় বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। তিনি বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় জ্ঞানচর্চা ও গবেষণার স্থান। এখানে শিক্ষার্থীরা তাদের অর্জিত জ্ঞান ও গবেষণা জাতির কল্যাণে ব্যবহার করে পরবর্তী প্রজন্মের জন্য একটি উন্নত রাষ্ট্র গঠনে ভূমিকা রাখবে।’ মঙ্গলবার দুপুরে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় (খুবি) দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
‘মননে-সৃজনে গড়ি জ্ঞানের সোপান’ স্লোগান নিয়ে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় দিবসটি পালন করে। দিবসটি উপলক্ষে আয়োজন করা হয় শিক্ষা মেলা।
ভবিষ্যতে প্রযুক্তি রফতানি করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আমরা আর প্রযুক্তি আমদানি করতে চাই না। ভবিষ্যতে প্রযুক্তি রফতানি করতে চাই।’ তিনি আরও বলেন, ‘জাতিকে দ্রুত অগ্রগতির পথে নিতে বিশ্বমানের শিক্ষা গবেষণা প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে শিক্ষকদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।’ তিনি তার দীর্ঘ বক্তব্যে সরকারের শিক্ষানীতিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অর্জিত সাফল্য ও ভিশন ২০২১ এবং ২০৪১ সালে উন্নত দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে সরকারের নানা পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন।
নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেন, ‘খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় সুনামের দাবি রাখে। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার মান উর্ধ্বমুখী, তবে আরও উন্নয়নের জন্য নতুন জ্ঞান সৃষ্টিতে বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণা বাড়াতে হবে। শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে আরও বেশি উৎসাহ দিতে হবে। পড়াশোনার পাশাপাশি তাদের খেলাধুলা ও সংস্কৃতিকচর্চা বাড়াতে হবে। শিক্ষার্থীদের নিজস্ব জ্ঞান, দৃষ্টিভঙ্গি ও গবেষণা তুলে ধরতে হবে। এগুলো বাস্তব জীবনে প্রয়োগ করতে হবে।
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ফায়েক উজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন ট্রেজারার খান আতিয়ার রহমান। স্বাগত বক্তৃব্য রাখেন রেজিস্ট্রার (চলতি দায়িত্ব) খান মো. আলিয়ার রহমান। এতে আরও উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য পঞ্চানন বিশ্বাস, খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আলমগীর, বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিন, পরিচালক, ডিসিপ্লিন প্রধান, প্রভোস্ট, বিভাগীয় প্রধান এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
/এমএনএইচ/








