বাগেরহাটে পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে সরোয়ার শেখ (৪৫) নামে একজন নিহত হয়েছেন। এসময় এক নারীসহ পাঁচজন গুরুতর আহত হয়েছেন। তাদের উদ্ধার করে বাগেরহাট সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। শনিবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে মোরেলগঞ্জ উপজেলার দৈবজ্ঞহাটি ইউনিয়নের মধ্যেপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পোলেরহাট পুলিশ ফাঁড়ির সহকারী উপ-পরিদর্শক মো. আমিনুর ইসলাম।
নিহত সরোয়ার শেখ মোরেলগঞ্জ উপজেলার দৈবজ্ঞহাটি ইউনিয়নের মধ্যেপুর গ্রামের আশরাফ শেখের ছেলে।
আহতরা হলেন, নিহতের সরোয়ারের সেজো ভাই আব্দুর রশিদ শেখ (৫০), মেজো ভাইয়ের স্ত্রী তাহমিনা বেগম (৪৫), ছেলে বাবু শেখ (২০) ভাতিজা পলাশ শেখ (৩০) ও কাইয়ুম শেখ (২৪)।
নিহতের ভাতিজি মিমি আক্তার বলেন, ‘শনিবার সকালে আমার সেজ চাচা আব্দুর রশিদ শেখ পাশের মিত্রডাঙ্গা গ্রামে তার মামাতো ভাই জবান খানের কাছে পাওনা টাকা চাইতে যান। টাকা চাওয়া নিয়ে দু’জনের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। জবান খানের কাছে পাওনা টাকা চেয়ে না পেয়ে আমার চাচা বাড়িতে ফিরে আসেন। এর কিছুক্ষণ পর জবান খানসহ ৭-৮ জন ধারালো অস্ত্র নিয়ে আমাদের বাড়ির সামনে এসে প্রথমে সেজ চাচা রশিদের ওপর হামলা চালায়। এ সময় যারা তাকে বাঁচাতে আসেন তাদের ওপর এলোপাথাড়ি হামলা চালানো হয়। এতে আমাদের পরিবারের ছয় সদস্যরা গুরুতর আহত হন। তাদের উদ্ধার করে বাগেরহাট সদর হাসপাতালে নেওয়ার পথে আমার ছোট চাচা সরোয়ার শেখ মারা যান। অন্যদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
পোলেরহাট পুলিশ ফাঁড়ির সহকারী উপ-পরিদর্শক মো. আমিনুর ইসলাম বলেন, ‘পূর্ব বিরোধের জের ধরে এ ঘটনা ঘটেছে। হামলাকারীদের ধরতে পুলিশ অভিযান চালছে।
বাগেরহাট সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার (আরএমও ) মোশারেফ হোসেন বলেন,‘অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে সরোয়ার শেখ মারা গেছেন। তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাত রয়েছে। অন্যদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।’
/জেবি/
আরও পড়তে পারেন: কক্সবাজারকে সুন্দর করার স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন আমার বাবা: প্রধানমন্ত্রী








