দেশের দ্বিতীয় সমুদ্র বন্দর মংলায় পণ্যবাহী বিদেশি জাহাজ আসা দিন দিন বাড়ছে, ফলে বন্দরজুড়ে সৃষ্টি হয়েছে কর্ম চাঞ্চল্য। প্রতি সপ্তাহেই এখানে ভিড়ছে পণ্যবাহী বিদেশি জাহাজ। গত সপ্তাহে ১৭টি বিদেশি জাহাজ মংলা বন্দরে এসেছে। আগামী সপ্তাহে পণ্য নিয়ে আসছে আরও ১০ থেকে ১২টি বিদেশি জাহাজ। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের হারবার মাস্টার কমান্ডার ওলিউল্লাহ।
তিনি বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, গত ১৫ বছরের মধ্যে এতগুলো বিদেশি জাহাজ এ বন্দরে আসেনি। গত সপ্তাহে আসা ১৭টি বিদেশি জাহাজ পণ্য খালাসের জন্য মংলা বন্দরের পশুর চ্যানেলের হারবাড়িয়া ও বেসক্রিক এলাকায় অবস্থান করছে।
তিনি আরও জানান, বৃহস্পতিবার পর্যন্ত বন্দর চ্যানেলে ৮টি বিদেশি জাহাজ আছে। এরমধ্যে একটিতে পামঅয়েল, একটিতে চুনা পাথর, একটিতে কয়লা, একটিতে সার, একটিতে স্টিলের পাইপ এবং তিনটিতে আছে সিমেন্টের কাঁচামাল ক্লিংকার। আগামী সপ্তাহে পণ্য নিয়ে আরো ১০-১২টি জাহাজ বন্দরে আসার কথা রয়েছে।
মংলাবন্দর ব্যবহারকারী সমন্বয় কমিটির মহাসচিব মো.সাইফুল ইসলাম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘মংলা বন্দরকে ঘিরে বন্দর ব্যবহারকারী, আমদানি-রফতানিকারকসহ বিভিন্ন শেণির ব্যবসায়ীরা নতুন করে স্বপ্ন দেখতে শুরু করছে। এভাবে চলতে থাকলে দক্ষিণ-পশ্চিমঞ্চালের মানুষের অর্থনৈতিক
উন্নয়নের পাশাপাশি এ অঞ্চলেরও ব্যাপক উন্নয়ন হবে। পদ্মা সেতু ও খানজাহান আলী বিমান বন্দর নির্মাণ কাজ শেষ হলে দ্রুত বদলে যাবে এ অঞ্চলের চিত্র।
মংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান কমোডর ফারুক হাসান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘বন্দরের অবকাঠামো ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন হওয়ায় আমদানি-রফতানি বাণিজ্যের জন্য নেপাল, ভূটান ও ভারত মংলা বন্দর ব্যবহারে আগ্রহী হয়ে উঠেছে। এ ছাড়াও এর আশপাশে নতুন নতুন শিল্প-কারখানা গড়ে উঠছে।
তিনি আরও বলেন, ‘খানজাহান আলী বিমানবন্দরের নির্মাণ ও খুলনা-মংলা রেললাইন স্থাপনসহ ২০১৮ সালের মধ্যে পদ্মা সেতুর নির্মাণ কাজ শেষ হলে মংলা বন্দর কেন্দ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পাবে।
/জেবি/
আরও পড়তে পারেন: দেশে আইনের শাসন নেই: মির্জা ফখরুল








