মাগুরার বাজারে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রিত তাই টিসিবি পণ্যের প্রতি মানুষের আগ্রহ কম বলে জানিয়েছেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আজমুল হক।
তিনি বলেন, ‘একারণেই হয়ত ৬ জন ডিলারের মধ্যে মাত্র একজন ডিলার পণ্য তুলেছেন। কিন্তু ডিলাররা মাল না আনলে আমাদের কিছুই করার নেই। তবে আমাদের নিয়মিত মনিটরিংয়ের কারণেও দ্রব্যমূল্য সহনীয় পর্যায়ে রয়েছে।’
মাগুরায় টিসিবি পণ্যের দেখা মিলছে না ভোক্তাদের এমন অভিযোগ পেয়ে বাজার ঘুরে দেখা গেছে, খুচরা বাজারে চিনি প্রতি কেজি ৭৪ টাকা, ছোলা ৮৫ টাকা, সয়াবিন তেল ৮৮ টাকায় বিক্রি হলেও টিসিবি বিক্রয়কেন্দ্রে চিনি ৫৫ টাকা ছোলা ৭৫ ও সয়াবিন ৮৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর মসুরের ডাল বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকায়। অথচ বাজারে মসুর ডাল ৭০ টাকায় পাওয়া যায়।
রিকশাচালক সাদেক মিয়া বলেন, ‘এবছর কোথাও টিসিবি পণ্য খুঁজে পাচ্ছি না।’
বেসরকারি কর্মচারী রাশেদুল ইসলাম বলেন, ‘টিসিবি পণ্য আমাদের মত স্বল্প আয়ের মানুষের জন্য একটু স্বস্তির নিশ্বাস। যতদূর জানি মাইকিং করে ট্রাকযোগে এসব পণ্য বিক্রি করার কথা। কিন্তু রমজান আসার পর থেকে আমি এরকম কোনও গাড়ির খোঁজ পাইনি।’
৬ জন ডিলারের মধ্যে টিসিবির পণ্য বিক্রেতা একমাত্র ডিলার জেটিসি রোডের মইনুল ইসলাম বলেন, ‘রমজানের চারদিন আগেই আমি টিসিবির চারটি পণ্য সংগ্রহ করেছি। তিনদিনের মধ্যেই স্বল্পমূল্যের কারণে চিনি, ছোলা ও সয়াবিন শেষ হয়ে গেলেও চড়া মূল্যের কারণে মসুর ডাল কেউ কিনছে না।’
তিনি বলেন, ‘৯০০ কেজি মসুর ডাল তুলেছিলাম। যার ৪০০ কেজি এখনও অবিক্রিত। আবার পণ্য তুলতে গেলে আমাকে বাধ্যতামূলকভাবে মসুর ডাল তুলতেই হবে। তাই আমি আর পণ্য তুলছি না।’
/এনআই/টিএন/








