চালের ব্যবসা করার জন্য লাইসেন্স করতে ব্যবসায়ীদের নোটিশ দিয়েছে ঝিনাইদহ জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক অধিদফতর। খাদ্যমন্ত্রীর নির্দেশের পর খাদ্য নিয়ন্ত্রক অধিদফতরের কর্মকর্তারা এরই মধ্যে শতাধিক নোটিশ দিয়েছেন। নোটিশ দেওয়ার কাজ এখনও অব্যাহত রয়েছে।
ঝিনাইদহ খুচরা চাল বাজারের ব্যবসায়ী অজয় সাহা বলেন, ‘সরকার চালের লাইসেন্স নিতে বলেছে। যাদের দোকানে এক টনের বেশি খাদ্যশস্য থাকবে তাদের লাইসেন্স নিতে হবে। আমাদের মতো ছোট ব্যবসায়ীদেরও যদি লাইসেন্স নিতে হয় তাহলে তা করবো।’
সদরের হাট চাঁদনীর খুচরা চাল ব্যবসায়ী রমেশ চন্দ্র সাহা বলেন, ‘৫০ পয়সা সের থেকে শুরু করে চালের ব্যবসা করছি। বিভিন্ন সময়ে সরকারের বিভিন্ন নির্দেশ এসেছে। সেসব নির্দেশ মেনেই আমরা ব্যবসা করছি এবং ভবিষ্যতেও করবো।’
ব্যবসায়ী জসিম উদ্দীন বলেন, ‘চালের বাজার অস্থির হোক তা আমরা চাই না। ব্যবসা করতে হলে সরকারি নিয়ম মানতে হবে। সরকার চাল ব্যবসায়ীদের যে লাইসেন্স নেওয়ার কথা বলেছেন আমরা সে নির্দেশ মানবো।’
খুচরা চাল বাজারের মেসার্স মানিক অ্যান্ড ব্রাদার্সের মানিক বিশ্বাস বলেন, ‘চালের লাইসেন্স করতে আমার দোকানে খাদ্য বিভাগ থেকে নোটিশ দিয়েছে। ব্যবসা করতে হলে তো সরকারি নির্দেশ মানতে হবে। আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। লাইসেন্স করে নিব।’
ঝিনাইদহ খাদ্য বিভাগের লাইসেন্স শাখার ডাটা এন্ট্রি কন্ট্রোল অপারেটর আব্দুল মজিদ বলেন, ‘৪৭০ জন মিলারের লাইসেন্স আছে। প্রতিটি মিলারের মিল পরিচালনার জন্য এবং খাদ্যশস্যের জন্য মোট দুইটি করে লাইসেন্স নিতে হবে। এদের মধ্যে ৩১৮ জন মিলারের খাদ্যশস্য ব্যবসার লাইসেন্স আছে।’
জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা মোহাম্মদ বাবুল হোসেন বলেন, ‘খাদ্যমন্ত্রীর নির্দেশ বাস্তবায়নের জন্য মাঠ পর্যায়ে কাজ করে যাচ্ছেন জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক অধিদফতরের কর্মকর্তারা। এরই মধ্যে অনেক পাইকারি চাল ব্যবসায়ী লাইসেন্সের জন্য আবেদন করেছেন। গতকালও ১০ টি লাইসেন্সে স্বাক্ষর করেছি।’








