চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার আলোকদিয়ায় পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ চরমপন্থী দলের নেতা কেতু ওরফে লিখন ওরফে আজরাঈল (৩৮) নিহত হয়েছে। এ সময় সদর থানার ওসি (তদন্ত) গোলাম মোহাম্মদ, এসআই সুমন সরকার, লাভলু ও হাসান আলীসহ পাঁচ জন আহত হন। মঙ্গলবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে একটি শাটার গান, ছয়টি বোমা, ছয়টি রামদা ও দুই রাউন্ড গুলি উদ্ধার করে।
নিহত কেতু উপজেলার আলোকদিয়া আকন্দবাড়িয়া গ্রামের শওকত আলীর ছেলে এবং চরমপন্থীদলের নেতা। তার নামে তিনটি হত্যা, চাঁদাবাজি ও ডাকাতিসহ এক ডজন মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ওসি (অপারেশন) আমির আব্বাস জানান, গত ২৫ ডিসেম্বর রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওসি তোজাম্মেল হকের নেতৃত্বে একদল পুলিশ ঢাকা থেকে চরমপন্থীদলের নেতা কেতু ওরফে আজরাঈলকে গ্রেফতার করে। পরে স্বীকারোক্তি অনুযায়ী মঙ্গলবার গভীর রাতে তাকে নিয়ে অস্ত্র উদ্ধারে যায় পুলিশ। আলোকদিয়া যাওয়ার পথে আগে থেকে ওঁৎ পেতে থাকা ১৫-২০ জন সশস্ত্র চরমপন্থীদলের সদস্য পুলিশের গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এ সময় পুলিশও পাল্টা গুলি ছুড়লে উভয়ের মধ্যে আধা ঘণ্টাব্যাপী বন্দুকযুদ্ধ হয়। এতে সদর থানার ওসি (তদন্ত) গোলাম মোহাম্মদসহ পাঁচ পুলিশ আহত হয়। সন্ত্রাসীরা পালিয়ে গেলে ঘটনাস্থল থেকে কেতুর গুলিবিদ্ধ লাশ, একটি শার্টার গান, ছয়টি বোমা, ছয়টি রামদা ও দুই রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়। রাতেই খবর পেয়ে চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপার মাহাবুবুর রহমান পিপিএম, সহকারী পুলিশ সুপার (হেড কোয়ার্টার) আহসান হাবিব ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। পুলিশ কেতুর লাশ ময়নাতদন্তের জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে।
চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ওসি তোজাম্মেল হক জানান, কেতু চরমপন্থীদলের নেতা। তার বিরুদ্ধে হত্যাসহ এক ডজন মামলা রয়েছে।








