বর্তমান সরকারের ৯ বছরে খুলনায় আমূল পরিবর্তন হয়েছে। উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি এমন কোনও সেক্টর খুঁজে পাওয়া যাবে না। এ সরকারের আমলেই খুলনা হারানো ঐতিহ্য ফিরে পেতে শুরু করেছে। সচল হয়েছে খুলনা অঞ্চলের অর্থনীতির চাকা। প্রধানমন্ত্রীর ভালোবাসা আর আন্তরিকতায় ঘুরে দাঁড়িয়েছে খুলনা। এমনটাই দাবি করেছেন খুলনার আওয়ামী লীগ নেতারা।
সাবেক শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর এই সফর খুলনার মানুষের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। মানুষের মাথাপিছু আয় বেড়েছে। দেশের খাদ্য উৎপাদন বেড়ে মানুষের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে এসেছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোগত উন্নয়ন হচ্ছে।’
তিনি বলেন, খালিশপুর নিউজপ্রিন্ট মিল চালু ও অনতিবিলম্বে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজ শুরু করতে হবে। বিএনপি সরকারের বন্ধ করে দেওয়া বেশ কয়েকটি মিল চালু করেছেন। এতে করে এ অঞ্চলের মানুষ ঘুরে দাঁড়িয়েছে।
জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হারুনুর রশিদ বলেন, মৃত শিল্প নগরী খুলনা আজ ঘুরে দাঁড়িয়েছে। প্রধানমন্ত্রী এ অঞ্চলের মানুষকে যতটুকু প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন তার চেয়েও বেশি দিয়েছেন। শুধু শেখ হাসিনার প্রচেষ্টায় খুলনা হারানো রূপ ফিরে পেতে চলেছে। এ অঞ্চলের মানুষ আজ বুঝতে পেরেছে শেখ হাসিনার সরকারের মতো কোনও সরকার এত উন্নয়ন করেনি। শত অবহেলার পর মানুষ আজ নতুন স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছে। এই স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে আওয়ামী লীগ সরকারের বিকল্প নেই।
খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক বলেন, ‘খুলনার প্রতি প্রধানমন্ত্রীর ভালোবাসার কারণে আজ মৃতপ্রায় খুলনা জেগে উঠেছে। রামপাল ও মোংলাকে ঘিরে হবে দেশের দ্বিতীয় অর্থনৈতিক জোন। খুলনার মানুষকেও এই ভালোবাসার মূল্য দিতে হবে। শুধু জাতীয় নির্বাচন নয়, সব নির্বাচনে নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে শেখ হাসিনাকে আবারও রাষ্ট্র ক্ষমতায় বসাতে হবে।’
এমপি মিজান বলেন, খুলনার যেকোনও উন্নয়নের কথা একবার বললেই প্রধানমন্ত্রী রাজি হয়ে যান। রুগ্ন খুলনাকে শিল্প নগরীতে পরিণত করা হয়েছে। শনিবারের জনসভায় তিনি প্রায় ২ হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন। দীর্ঘ দিন ধরে অবহেলিত খুলনার মানুষের জন্য তিনি আন্তরিকভাবে কাজ করতে চান। তিনি নিজে সব প্রকল্পের খোঁজ নেন। তদারকি করেন। এ অঞ্চলের মানুষ হিসেবে আমরা তার কাছে চিরদিন কৃতজ্ঞ থাকবো।








