যশোরে যুবলীগের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে যড়যন্ত্রমূলভাবে মিথ্যা মামলা দিয়ে গ্রেফতারের অভিযোগে যুবলীগের নেতাকর্মীরা সহরে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করছে। বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে যুবলীগের মিছিলটি বের হয়ে শহর প্রদক্ষিণ শেষে চৌরাস্তা মোড়ে এসে শেষ হয় এবং সেখানে বিক্ষোভ সমাবেশ করে।
মিছিল শেষে শহরের চৌরাস্তা মোড়ে বিক্ষোভ সমাবেশ করে নেতারা বলেন,‘জেলা তরুণ লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মনিরুল শেখের প্রকৃত হত্যাকারীদের আড়াল করতে একটি মহল ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের চক্রান্ত করছে।’
নেতারা বলেন,‘মনিরুল আমাদের দুঃসময়ের কর্মী। তার হত্যাকাণ্ডে সংগঠন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যে মুহূর্তে তার খুনিদের আটকে আমরা সোচ্চার, ঠিক সেই মুহূর্তে দলের মধ্যে ঘাপটি মেরে থাকা একটি পক্ষ সংগঠনের সাহসী যোদ্ধা, জামায়াত-বিএনপি দুঃশাসনের বিরুদ্ধে লড়াকু সৈনিক জেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মঈনুদ্দিন মিঠু, শহর যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মেহবুব রহমান ম্যানসেল, সদর যুবলীগের সদস্য সাইদুর রহমান রিপন, নাজমুল জসিমসহ ১১ নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে কোর্টে ষড়যন্ত্রমূলক মামলা দায়ের করেছে।’
সমাবেশে বক্তৃতা করেন, জেলা যুবলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি মুনির হোসেন টগর, সহ-সভাপতি সৈয়দ মেহেদি হাসান, দফতর সম্পাদক হাফিজুর রহমান, আলাউদ্দিন মুকুল, সদস্য জাহিদুর রহমান লাবু, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম সম্পাদক লুৎফুল কবির বিজু, সদর যুবলীগের আহ্বায়ক অশোক বোস, শহর যুবলীগের আহ্বায়ক মাহমুদুল হাসান মিলু প্রমুখ।
নেতারা বলেন,‘মনিরুল সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত দ্বন্দ্বের কারণে খুন হয়েছেন। ইজিবাইক সিন্ডিকেটের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বসহ স্থানীয়ভাবে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দ্বন্দ্বের কারণে তিনি খুন হয়েছেন। কিন্তু যশোরে সন্ত্রাস, চোরাচালান, মাদক, অস্ত্র ব্যবসার যে সিন্ডিকেট রয়েছে, তারা এই হত্যাকাণ্ডকে পুঁজি করে ফায়দা লুটার চেষ্টা করছে। নেতারা এসময় যশোরে এই ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি যেন না ঘটে এবং মনিরুল হতাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের আটক করে শাস্তির দাবি জানানো হয়।
উল্লেখ্য, গত ১৩ মে রাত ১২টার দিকে যশোর শহরের পালবাড়ি ভাস্কর্য মোড়ে দুবৃর্ত্তদের ছোড়া বোমা ও ধারাল অস্ত্রের আঘাতে নিহত হন মনিরুল শেখ (৩৫)। গুরুতর জখম হন সন্তোষ ঘোষ (৩২) নামে অপর এক যুবক।








