মোংলা বন্দরের ফেয়ারওয়েতে লাইটারেজ জাহাজের ধাক্কায় ট্রলার ডুবে নিখোঁজ তিন জেলেকে মঙ্গলবার (১১ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টা পর্যন্ত উদ্ধার করা যায়নি। তাদের ভাগ্যে কী ঘটেছে তাও জানা সম্ভব হয়নি। তবে নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজ তুরাগ, মেঘনা ও দুর্গম এবং যশোর থেকে আসা বিমানবাহিনীর একটি হেলিকপ্টার তাদের উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রেখেছে বলে মোংলা নৌ-ঘাঁটির মিডিয়া উইং থেকে ফরিদ আহম্মেদ জানিয়েছেন।
সোমবার (১০ সেপ্টেম্বর) ভোরে বন্দরের ফেয়ারওয়ে সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে লাইটারেজ এমভি নাসির জাহানের ধাক্কায় এফবি স্বাধীন নামে বরগুনার একটি মাছ ধরার ট্রলার ডুবে যায়।
এদিকে ক্লিংকার (সিমেন্টের কাঁচামাল) বোঝাই লাইটারেজ জাহাজ এমভি নাসির জাহান মোংলায় বসুন্ধরা গ্রুপের মেঘনা সিমেন্ট মিলসে পণ্য খালাস করলেও জাহাজটিকে কেউ আটক করতে পারেনি। এ ব্যাপারে ঘটনার একদিন পর ডুবে যাওয়া ট্রলার এফবি স্বাধীনের মালিকপক্ষ থেকে বরগুনার পাথরঘাটা থানায় জিডি করা হয়েছে বলে বরগুনা জেলা মৎস্যজীবী ট্রলার সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী জানিয়েছেন।
ফরিদ আহম্মেদ জানান, দুর্ঘটনার সময় ঘটনাস্থলে থাকা তাদের জাহাজ ‘তুরাগ’ ভাসমান অবস্থায় নয় জেলেকে উদ্ধার করে। উদ্ধার হওয়া জেলেরা হলেন মো. হানিফ (৪০), মো. আবুল কালাম (৪২), মো. জাকির হোসেন (৪৭), মো. সুজন (২৮), মো. বন্যভেল (২৮), মো. মুসা (২২), মো. জাকারিয়া (১৬), মো. কবির (৪২) এবং মো. মনির (২০)। তাদের বাড়ি বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলায়।
এদিকে উদ্ধার হওয়া জেলেদের তথ্য অনুযায়ী দুর্ঘটনায় নিখোঁজ রয়েছেন আরও তিন জেলে।
তারা হলেন বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার আব্দুল খালেক (৪৯), বাবুল (৪২) এবং দিপু (১৬)। তাদের এখনো উদ্ধার করা যায়নি। তবে নৌ ও বিমানবাহিনী তাদের উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছে বলে জানায় নৌবাহিনী জানায়।







