ইলিশ ধরার নিষেধাজ্ঞার সময় সাগরে নৌবাহিনী ও কোস্টগার্ডের টহল জোরদার করা হবে। বাংলাদেশ নৌবাহিনীর লেফটেন্যান্ট এম এম মোসাব্বির ও কোস্টগার্ডের শরণখোলা স্টেশনের এসসিজিও কন্টিজেন্ট কমান্ডার মো. মাহবুব আলম একথা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশি জলসীমায় ভারতীয় জেলেদের অনুপ্রবেশ ঠেকাতে এই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ গত ২৩ সেপ্টেম্বর বাগেরহাট সার্কিট হাউজে অনুষ্ঠিত মা ইলিশ রক্ষা কমিটির এক সভায় তিনি এই কথা জানান। তার আগে নিষেধাজ্ঞার সময় বাংলাদেশি জলসীমায় ভারতীয় জেলেরা অনুপ্রবেশ করে মাছ শিকার করে নিয়ে যায় জেলেদের এমন অভিযোগ বিষয়ে কি ব্যবস্থা নেওয়া হবে ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক শাহীন হোসেন জানতে চান। তখন নৌবাহিনীর ওই কর্মকর্তা সাগরে টহল জোরদারের তথ্য জানান।
শনিবার (৬ অক্টোবর) দিবাগত ১২টা ১ মিনিট থেকে ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত ২২ দিনের জন্য ইলিশ শিকার নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এসময়ের মধ্যে সারাদেশে ইলিশ আহরণ বন্ধসহ পরিবহন, মজুদ, বাজারজাতকরণ ও বিক্রি সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে। মা ইলিশ রক্ষায় সরকার উপকূলের ১১ হাজার বর্গকিলোমিটার এলাকায় এ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। এ আদেশ অমান্য করলে কমপক্ষে এক বছর থেকে সর্বোচ্চ ২ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড বা ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয়দণ্ড হতে পারে।
বাগেরহাট জেলা মৎস্য কর্মকর্তা জিয়া হায়দার চৌধুরী জানান, নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করতে প্রচারণার পাশাপাশি মৎস্য অধিদফতর, কোস্টগার্ড ও নৌপুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তায় ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। এসময় মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে।
তিনি জানান, তালিকাভুক্ত প্রত্যেক জেলে ২০ কেজি করে সরকারি চাল পাবেন। ইতোমধ্যে বিতরণের জন্য বাগেরহাটে ১০৩ মেট্রিকটন চাল এসে পৌঁছেছে। যা আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে বিতরণ করা হবে।
এদিকে ২২ দিনের এ কার্যক্রম তদারকি করতে বাগেরহাট জেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়ে একটি কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। বাগেরহাটের ৯টি উপজেলায় একটি করে মনিটরিং মোবাইল টিম কাজ করবে।
ইলিশের আরও খবর: খুলনার ২১শ জেলে পাবেন ভিজিএফ’র চাল








