অভয়নগর বিএনপির সহ-সভাপতি, উপজেলা চেয়ারম্যান নুরুল হক মোল্যার বাড়িতে নির্বাচনি বৈঠক চলাকালে পুলিশি হামলা ও ফাঁকা গুলিবর্ষণের অভিযোগ করেছেন দলের নেতাকর্মীরা। তবে, পুলিশ এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
নূরুল হক মোল্যা বলেন, ‘রবিবার বিকাল ৪টায় আমার হাসপাতাল রোডের বাসায় বিএনপির কর্মিসভা চলছিল। আগামী ২৮ নভেম্বর যশোর-৪ (বাঘারপাড়া-অভয়নগর) আসনে বিএনপির প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার টিএস আইয়ুবের পক্ষে নমিনেশন পেপার জমা দেওয়ার বিষয়ে বৈঠক চলছিল। সন্ধ্যা ৪টার দিকে পুলিশ অতর্কিতে সেখানে ঢুকে লাঠিচার্জ শুরু করে। এতে দলের ৭-৮ জন কর্মী কমবেশি আহত হন। ওই সময় পুলিশ শটগান থেকে চার রাউন্ড ফাঁকা গুলি করে।
তিনি বলেন, নির্বাচনি সভার বিষয়ে স্বল্প পরিসরে ইউএনও এবং নির্বাচন কর্মকর্তার কাছ থেকে আমরা অনুমতিও নিয়ে ছিলাম। সভা শুরু হওয়ার পর বেশ কিছু নেতাকর্মী সেখানে উপস্থিত হন।
এ বিষয়ে অভয়নগর থানার ওসি আলমগীর হোসেন সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘নুরুল হক মোল্যা (বাঘা) সাহেবের বাসভবনের পেছনে হাজার খানেক লোক নিয়ে মিটিং চলছিল। আমরা ঘটনাস্থলে কী বিষয়ে মিটিং হচ্ছে জানার জন্য পৌঁছালে সেখান থেকে তারা পালিয়ে যায়।
তিনি দাবি করেন, সেখানে লাঠিচার্জ বা গুলিবর্ষণের কোনও ঘটনা ঘটেনি। যদি তেমন কিছু হয়, তা বিএনপির লোকজন করে থাকতে পারে।
এ ব্যাপারে অভয়নগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. শাহীনুজ্জামান সাংবাদিকদের বলেন, ‘বাঘা সাহেব তার রুমে তিন-চারজন নিয়ে বৈঠক করবেন বলে মৌখিক অনুমতি নিয়েছিলেন। কিন্তু সেখানে দুই-তিনশ’র মতো লোক ছিল। এটি নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘণের মতো ঘটনা। প্রথমবারের মতো বলে বাঘা সাহেবকে সতর্ক করা হয়েছে। পুলিশি হামলা বা গুলিবর্ষণের কোনও ঘটনা সেখানে ঘটেনি বলে তিনি জানান।








