যশোরের শার্শা উপজেলার নাভারন কাজীর বেড় গ্রামে পাওনা টাকা আনতে গিয়ে খুন হয়েছেন জাহিদুল ইসলাম জাহিদ(৩২) নামে এক সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট ব্যবসায়ী। বুধবার (৫ ডিসেম্বর) রাতে কাজীর বেড় গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ৬ জনকে আটক করা হয়েছে।
আটকরা হলেন- ঝড়ু (৫০), তার স্ত্রী বিউটি খাতুন (৪০), মেয়ে সুমী খাতুন (২৫), মুক্তার আলীর স্ত্রী রহিমা বেগম (৫০), খালিদের স্ত্রী ফেরদৌসী (৩২) ও তার ছেলে আল-আমিন (১৮)।
নিহত জাহিদুল ইসলাম জাহিদ বেনাপোল পোর্ট থানার নারায়ণপুর গ্রামের বাসিন্দা।
বৃহস্পতিবার (৬ ডিসেম্বর) ভোরে কাজীর বেড় গ্রামের একটি কলাবাগান থেকে তার বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও এলাকাবাসী জানান, জাহিদুল ইসলাম বিদেশ যাওয়ার জন্য ৭ লাখ টাকা দেন নাভারন কাজীর বেড় গ্রামের ঝড়ু দালালের স্ত্রী বিউটি খাতুনক। টাকা নিয়ে বিদেশ না পাঠিয়ে তালবাহানা শুরু করে বিউটি।
বুধবার টাকা দেওয়ার কথা বলে বিউটি তার বাড়িতে ডাক দেন জাহিদকে। পূর্ব পরিকল্পিতভাবে বিউটি যশোর থেকে চারজন ভাড়াটে কিলার এনে বাসায় রাখে। পরে জাহিদকে ঘরে আটকে রেখে বাথরুমে নিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে লাশটি বস্তাবন্দি করে পাশের একটি কলাবাগানে ফেলে দেয়।
জাহিদের বাড়ির লোকজন খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে বিউটির বাসায় এসে জানতে চাইলে বলা হয় সে এখানে আসনি।
পরে বিষয়টি শার্শা থানা পুলিশকে জানানো হলে থানা পুলিশ বিউটিকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে জানতে পারে জাহিদকে খুন করা হয়েছে। পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য যশোর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়।
শার্শা থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এম মশিউর রহমান বলেন, প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছি ভাড়াটে কিলার দিয়ে জাহিদুল ইসলামকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। আমরা এ ঘটনায় ৬ জনকে আটক করেছি। অন্যদের আটকের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।








