আগুন নেভাতে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সে যুক্ত হয়েছে ২টি টু হুইলার ওয়াটার মিক্সড মোটরসাইকেল। সরু রাস্তা দিয়ে দ্রুত গতিতে গেলে আগুন নেভাতে এ ওয়াটার মিক্সড মোটরসাইকেল কার্যকারী ভুমিকা রাখবে বলে জানিয়েছেন ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা।
কালীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের ভারপ্রাপ্ত স্টেশন অফিসার শামছুর রহমান জানান, জেলার ৬টি উপজেলার মধ্যে কালীগঞ্জ একটি জনগুরুত্বপূর্ণ উপজেলা। এ উপজেলায় বিভিন্ন গ্রামাঞ্চলে রয়েছেন অনেক পানের বরজ ও আখ ক্ষেত।
গ্রাম গঞ্জের সব জায়গা দিয়ে ফায়ার সার্ভিসের বড় গাড়ি যেতে পারেনা। যেখানে সরু রাস্তা আছে, সেখানে আগুন লাগলে দ্রুত গতিতে টু হুলার ওয়াটার মিক্সড মোটরসাইকেল যেতে পারবে। এতে আগুন নেভানোর কাজও দ্রুত গতিতে সম্ভব হবে।
তিনি আরও জানান, দীর্ঘদিনের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে সম্প্রতি স্টেশনে ২টি টু হুইলার ওয়াটার মিক্সড মোটরসাইকেল কালীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসে যুক্ত হয়েছে। প্রতিটি টু হুইলার ওয়াটার মিক্সড মোটরসাইকেলে রয়েছে ২টি করে ট্যাংকি। ২টি ট্যাংকিতে ২০ লিটার করে মোট ৪০ লিটার পানি ও ফম ক্যামিকেল মিক্সড করা আছে। সঙ্গে রয়েছে ৫০ ফুট লম্বা পানির পাইপ। এক ট্যাংকির সঙ্গে আরেক ট্যাংকির সংযোগও আছে। যাতে এক ট্যাংকির পানি ফুরিয়ে গেলে অপর ট্যাংকি থেকে পানি নেওয়া যায়। সাইকেলটির সামনে ও পিছনে রয়েছে হাইড্রোলিক ব্রেক। এক লিটার পেট্রোলে চলবে ২০ কিলোমিটার। শহর ও গ্রামের যেখানে সরু বা ছোট রাস্তা আছে সেখানে এ মোটরসাইকেলটি দ্রুত গতিতে গিয়ে খুব কাছ থেকে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা আগুন নেভাতে সক্ষম হবেন।
তিনি আরও বলেন, খুলনা বিভাগের মধ্যে এত গুরুত্বপূর্ণ ও বড় স্টেশন আর কোনও উপজেলায় নেই। গুরুত্বের কথা বিবেচনা করে স্টেশনটি দ্বিতীয় বা প্রথম শ্রেণীতে উন্নীত করার জন্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা পরিদর্শন বইতে মন্তব্যও করেছেন।
তিনি বলেন,কালীগঞ্জ একটা গুরুত্বপূর্ণ উপজেলা হওয়ায় এবং এ শহরের উপর দিয়ে ঢাকা-খুলনা মহা সড়ক চলে যাওয়ায় প্রতিদিন কোথাও না কোথাও সড়ক দুর্ঘটনা ঘটছে। পাশাপাশি উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে রয়েছে শত শত বিঘা পানের বরজ ও আখ ক্ষেত। সেখানে প্রায়ই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। অধিক গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনটি তৃতীয় শ্রেণীর হওয়ায় এখানে জনবলও কম। তিনি স্টেশনটিকে দ্বিতীয় বা প্রথম শ্রেণীর স্টেশন করার দাবি করেন।








