সারারাত কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে অ্যাম্বুলেন্সের ধাক্কায় এক মিল শ্রমিক নিহত হয়েছেন। শনিবার (৯ ফেব্রুয়ারি) ভোরে যশোরের হামিদপুর এলাকায় যশোর-নড়াইল সড়কে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতের মিল শ্রমিকের নাম সুলতান আরেফিন (৪০)। তিনি যশোর সদরের কচুয়া ইউনিয়নের ঘোপপাড়া এলাকার শাকের আলী মোল্যার ছেলে এবং আহাদ জুট মিলের কর্মচারী।
সুলতানের ভাই তুহিন জানান, রাতের পালায় কাজ শেষে শনিবার ভোরে বাইসাইকেলে করে মিল থেকে বাড়ি ফিরছিলেন সুলতান। পথে হামিদপুর এলাকায় যশোর-নড়াইল সড়কে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি অ্যাম্বুলেন্স তাকে ধাক্কা দেয়। খবর পেয়ে তাকে উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতালে আনা হয়। ওই সময় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
তুহিন জানান, ‘প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, দুর্ঘটনার সময় অ্যাম্বুলেন্সচালক মোবাইলফোনে কথা বলছিল।’
যশোর জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের ডা. আহম্মেদ তারেক শামস একই বিভাগের ডাক্তার আব্দুর রশিদের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, হাসপাতালে আনার আগেই সুলতানের মৃত্যু হয়েছে।
জানতে চাইলে যশোর কোতোয়ালি থানার ওসি অপূর্ব হাসান বলেন, ‘সড়ক দুর্ঘটনায় মিল শ্রমিকের মৃত্যুর বিষয়ে কোনও অভিযোগ আসেনি।’
অপরদিকে, সকাল ৮টার দিকে যশোর-ঝিনাইদহ সড়কের সাতমাইল এলাকায় একটি নসিমনের চাকা খুলে সেটি উল্টে যায়। এতে নসিমনচালক শাহিনূর রহমান (৩০) ও তারসঙ্গী একরামুল হোসেনে (৪০) আহত হন। শাহিনুর ঝাউদিয়া গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে। আর একরামুল যশোর সদরের চুড়ামনকাটি এলাকার শাহাদত হোসেনের ছেলে।
শাহিনুর জানান, তিনি সকালে নসিমনে করে মাছ নিয়ে বারবাজার যাচ্ছিলেন। সাতমাইল এলাকায় পৌঁছালে ডানপাশের চাকা খুলে গাড়ি উল্টে যায়। এসময় স্থানীয়রা তাকে ও ইকরামুলকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসে।
ইকরামুলের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানান যশোর জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের ডা. আহম্মেদ তারেক শামস।








