সুন্দরবনে সব ধরনের দাহ্য পদার্থ বহন ও ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করেছে বন বিভাগ। আগুন লাগার ক্ষেত্রে সুন্দরবন পূর্ব বিভাগের শরণখোলা ও চাঁদপাই রেঞ্জ এলাকা চরম ঝুঁকিপূর্ণ। তাই বন বিভাগ এ নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। শুক্রবার (৫ এপ্রিল) দিনভর বন বিভাগ লোকালয়ে মাইকিং করেছে। লোকালয়ের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে টাঙিয়ে দেওয়া হয়েছে গণবিজ্ঞপ্তি।
সুন্দরবন পূর্ব বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মো. মাহমুদুল হাসান জানান, শুষ্ক মৌসুমে সুন্দরবনে আগুন লাগার শঙ্কা বেড়ে যায়। এক শ্রেণির জেলে ও বনজীবীরা চোরাই পথে শরণখোলা ও চাঁদপাই রেঞ্জের বনের মধ্যে ঢুকে রাতের আধারে ছোট-ছোট বিলের মিঠা পানির মাছ ও মধু আহরণ করতে যায় এবং প্রায় প্রতি বছরই পরিকল্পিতভাবে সুন্দরবনে আগুন লাগিয়ে দেয়। সুন্দরবনের পূর্ব বিভাগের কলমতেজী, গুলিশাখালী, নাংলী, কাটাখালী, বৈদ্যমারী, বরুইতলা, জিউধরা ও আমুরবুনিয়া এলাকা খুবই স্পর্শকাতর। শরণখোলা ও চাঁদপাই রেঞ্জের এ এলাকার পাশে রয়েছে লোকালয়। এসব লোকালয়ে অসংখ্য মানুষ বনজীবী। তাই সুন্দরবনে আগুন ঠেকাতে সব ধরনের দাহ্য পদার্থ বহন ও ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
পাশাপাশি বন সন্নিহিত এ সব লোকালয়ে জনসচেতনতা সৃষ্টিতে প্রচার-প্রচারণা চালানো হচ্ছে। অনুমতিপত্র নিয়ে সুন্দরবনে ঢোকা জেলে, বাওয়ালী, মৌয়াল ও ইকোটুরিস্টরা সঙ্গে করে বিড়ি-সিগারেট, দিয়াশলাই-লাইটার ও মশালসহ কোনও ধরনের দাহ্য পদার্থ নিয়ে যাতে বনে ঢুকতে না পারে সেজন্য বনরক্ষীরা তল্লাশি শুরু করেছে। সুন্দরবনে অনুপ্রবেশ ঠেকাতে নেওয়া হয়েছে কঠোর নজরদারি।








