নড়াইলের কালিয়ায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দু’পক্ষের সংঘর্ষে নারীসহ ১২ জন আহত হয়েছেন। ভাঙচুর করা হয়েছে ছয়টি ঘর। শনিবার (২৭ জুলাই) উপজেলার পুরুলিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। কালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম এ তথ্য জানান।
আহতরা হলেন— তানজিলা বেগম (৩৫), সাবু শেখ (৪০), উজ্জল ফকির (৩৫), শিমুল ফকির (৩০), মিথিল মোল্যা (২৫), কলেজ ছাত্র সোহান (১৮), মিটুল কাজী (২৫), জাকারিয়া মোল্যা (৪০), ইছাহাক মোল্যা (৫৫), ওবায়দুর সরদার (৩৪), কেনায়েত সরদার (৫৫)। তবে একজনের পরিচয় পাওয়া যায়নি। আহতদের নড়াইল সদর ও খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, পুরুলিয়া গ্রামের আওয়ামী লীগ নেতা জাকাতুর ফকির ও পুরুলিয়া ইউনিয়নের মেম্বার কোবাদ মোল্যা গ্রুপের লোকজনের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এর আগেও বিভিন্ন সময় দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ও হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। গত ঈদুল ফিতরের পর জাকাতুর ফকিরের সমর্থকরা পুরুলিয়া বাজারের আধিপত্য ফিরে পায়। কোবাদ মোল্যার লোকজন পুরুলিয়া বাজারের আধিপত্য পেতে মরিয়া হয়ে ওঠে। এরই জেরে শুক্রবার বিকালে কোবাদ গ্রুপের সমর্থকরা জাকাতুর গ্রুপের সমর্থক সাবু ফকিরকে লক্ষ্মীপুর এলাকায় কুপিয়ে দু’পায়ের রগ কেটে দেয় এবং হাত-পায়ের নখ উঠিয়ে দেয়। এছাড়া শনিবার ভোরে উজ্জল ফকির, শিমুল ফকির ও মিথিল ফকিরকে কুপিয়ে জখম করে। এ ঘটনার পর কোবাদ গ্রুপের সমর্থক আমীর হামজা ও খুরশিদ মোল্যার ছয়টি ঘর ভাঙচুর করা হয়। এ সময় দু’গ্রুপের সংঘর্ষে অন্তত ১২ জন আহত হন।
এ ব্যাপারে ওসি রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পরিস্থিতি এখন শান্ত রয়েছে। এখন পর্যন্ত তিন জনকে আটক করা হয়েছে।’








