খুলনার দিঘলিয়া উপজেলায় প্রতিপক্ষের ধারালো অস্ত্রে আঘাতে নিহত আওয়ামী লীগ কর্মী টিপু শেখ (৫০) উপজেলার ওলি মুন্সী হত্যা মামলার আসামি ছিলেন। তিনি মারপিটের একটি মামলায় ১০ দিন আগে কারাগার থেকে বের হয়েছিলেন।
দিঘলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মানস রঞ্জন দাস বলেন,‘ওলি মুন্সি ও একজন হিন্দু নারীকে হত্যা মামলার আসামি ছিলেন টিপু শেখ। আওয়ামী লীগ নেতা ডালিম শেখকে মারধরের ঘটনায় টিপু শেখ জামিনে ছিলেন।
তিনি বলেন,‘পূর্ব শত্রুতার জের ধরে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। নিহত টিপু শেখের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় এখনো কেউ গ্রেফতার হয়নি।’
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ২০১২ সালে দিঘলিয়া উপজেলার মাজিরগাতি ঈদগাহে নামাজ পড়তে যাওয়ার পথে একই গ্রামের ওলি মুন্সিকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। ওই মামলায় টিপু শেখ প্রধান আসামি ছিলেন। এছাড়া দেড় মাস আগে ৪নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ডালিম শেখকে মারধরের ঘটনায়ও টিপু শেখ আসামি। ১০ দিন আগে তিনি জামিনে বের হয়েছেন। এই মামলার অপর আসামি টিপু শেখের ভাই জাহাঙ্গীর শেখ এখনও কারাগারে রয়েছেন।
উল্লেখ্য, শুক্রবার সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে দিঘলিয়া উপজেলার গাজিরহাট ইউনিয়নের পদ্মবিলা গ্রামে টিপু শেখকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। টিপু শেখ এ সময় গাজিরহাট বাজার থেকে বাড়ি ফিরছিলেন। স্থানীয়রা জানায়, পূর্ব থেকে ওৎ পেতে থাকা দুর্বৃত্তরা প্রথমে ইট দিয়ে তার মাথায় আঘাত করে। পরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করে। ঘটনাস্থলেই তার ডান পা বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। বাম পায়েও কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে নেওয়ার পর চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহত টিপু শেখ পদ্মবিলা গ্রামের সোনা উল্লাহর ছেলে। পুলিশ এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এখনও কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি।








