বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরার সময় বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার ‘এফবি আরিফুল ইসলাম’ নামের একটি ফিশিং ট্রলারে বজ্রপাতের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রাতে পূর্ব সুন্দরবনের দুবলারচর থেকে প্রায় ৪৫ নটিক্যাল মাইল দক্ষিণে এই বজ্রপাতে পাঁচ জেলে আহত হন। আহত জেলেদের নিয়ে রবিবার দুপুরে ট্রলারটি শরণখোলায় এসে পৌঁছায়।
আহতরা হলেন- ট্রলার মালিক মো. আলামিন ঘরামী (৩৭), মো রতন (৪২), বাদল খান (৩৪), রিয়াজ (৩৮) ও মো. মিঠু (২৮)। তাদেরকে শরণখোলা উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের সবার বাড়ি বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে।
ট্রলারটির চালক মো. আসাদ খান জানান, বৃহস্পতিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) রাতে শরণখোলার রায়েন্দা থেকে তারা ১৭ জন জেলে বঙ্গোপসাগরে ইলিশ শিকার করতে যান। শনিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির মধ্যে তারা সাগর থেকে জাল তুলছিলেন। এমন সময় তাদের ট্রলারে বজ্রপাতের ঘটনা ঘটে। এতে পাঁচ জেলের শরীরের বিভিন্ন অংশ ঝলসে যায়। বজ্রপাতে ট্রলারটির ব্যাটারিসহ বিভিন্ন যন্ত্রাংশ ও মালামাল পুড়ে যায়। তিনি আহত জেলেদের নিয়ে ট্রলার চালিয়ে শরণখোলার রায়েন্দা মৎস্য বন্দরের উদ্দেশে রওনা হন। প্রায় ১৫ ঘণ্টা পর রবিবার দুপুরে তারা রায়েন্দা মৎস্য বন্দরে এসে পৌঁছান।
বাগেরহাট জেলা ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি মো. আবুল হোসেন বলেন, দুর্গম সাগরে মাছ ধরতে গিয়ে অনেক সময় জেলেরা অসুস্থ হন। দুর্যোগের কবলে পড়ে আহত হন। এই বিষয়ে সরকার পদক্ষেপ নিলে জেলেরা উপকৃত হবে।







