ভারতের পেট্রাপোল বন্দরে সার্ভারে কাজ না করায় দ্বিতীয় দিনের মতো বেনাপোল বন্দরের সঙ্গে আমদানি-রফতানি বাণিজ্য বন্ধ রয়েছে। তবে এ পথে পাসপোর্ট যাত্রী যাতায়াত ও বন্দর অভ্যন্তরে পণ্য খালাস প্রক্রিয়া স্বাভাবিক রয়েছে। শনিবার (২ নভেম্বর) সকাল থেকে রবিবার (৩ নভেম্বর) সারাদিন এ বন্দরে আমদানি-রফতানি কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।
বেনাপোল স্থলবন্দরের উপ-পরিচালক (ট্রাফিক) আব্দুল জলিল জানান, উভয় বন্দরে ইন্টারনেট সার্ভার চালু হওয়ার আগে হাতে কলমে কাগজপত্রের কাজ সম্পূর্ণ হতো। বর্তমানে বন্দরে অটোমেশন প্রক্রিয়া চালু হওয়ায় এই কাজ বর্তমানে অনলাইনে ইন্টারনেট সার্ভারে করা হচ্ছে। গত দুই দিনে ভারতের পেট্রাপোল বন্দরে ইন্টারনেট সংযোগ না থাকায় পণ্য খালাস ও আমদানি-রফতানির কাজ করতে পারছেন না। এদিকে সারাদিন আমদানি-রফতানি কার্যক্রম বন্ধ থাকায় দুই দেশের বন্দরে প্রবেশের অপেক্ষায় শতশত পণ্যবোঝাই ট্রাক আটকা পড়েছে। এসব পণ্যের মধ্যে শিল্পকারখানায় ব্যবহৃত কাঁচামাল খাদ্যদ্রব্য ও পচনশীল পণ্য রয়েছে। রফতানি পণ্যের মধ্যে রয়েছে পাট ও পাটজাত দ্রব্য, তৈরি পোশাক, মাছ ইত্যাদি।
ভারতের সিএন্ডএফ এজেন্ট স্টাফ ওয়েল ফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক শ্রী কার্তিক চক্রবর্তী জানান, ইন্টারনেট সার্ভার সমস্যা থাকায় দুই দেশের মধ্যে আমদানি-রফতানি বন্ধ রয়েছে। সার্ভার সমস্যার সমাধান হলেই আমদানি-রফতানি বাণিজ্য শুরু হবে।








