ঝিনাইদহ শহরে ত্রাণের দাবিতে ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করে সড়ক অবরোধে ঘটনা ঘটেছে। ঝিনুকমালা আবাসন প্রকল্পের বাসিন্দারা জানায়, দীর্ঘদিন ধরে চেয়ারম্যান কে এম নজরুল ইসলাম আশ্বাস দিলেও ত্রাণ দেননি। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সকালে তারা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে যান। সেখানে যথাযথ আশ্বাস না পেয়ে পায়রা চত্বর ও পরে ঝিনুকমালা আবাসন প্রকল্পের সামনে ঝিনাইদহ-কুষ্টিয়া মসহাসড়ক অবরোধ করেন তারা। প্রায় ২ ঘণ্টা অবরোধ করে রাখার পর জেলা প্রশাসক ঘটনাস্থলে গিয়ে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেন।
বিক্ষোভকারীরা জানায়, ঝিনাইদহ সদর উপজেলার পাগলাকানাই ইউনিয়ন পরিষদের অধীনে ঝিনুকমালা আবাসন প্রকল্প। এই আবাসনে বসবাস করে ২৩০টি পরিবার। তাদের ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সদর উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি কে এম নজরুল ইসলাম হতদরিদ্র পরিবারগুলোর খোঁজ নেননি। চেয়ারম্যান তাদের কাছ থেকে একাধিকবার ভোটার আইডি কার্ড নিলেও পরে দেখা করেননি। অবশেষে মঙ্গলবার সকালে বাধ্য হয়ে তারা বিক্ষোভ করেন।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার বদরুদ্দোজা শুভ বলেন, 'পাগলাকানাই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অভিযোগ শুনেছি। আমার সমন্বয় করে নিম্ন আয়ের মানুষের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ করছি। তাদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।'
ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসক সরোজ কুমার নাথ বলেন, 'ঝিনাইদহে ত্রাণসামগ্রীর কোনও ঘাটতি নেই। প্রতিদিন নিম্ন আয়ের লোকজনের মধ্যে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছে। বিক্ষোভের প্রেক্ষিতে ঝিনুকমালা আবাসন প্রকল্পের বাসিন্দাদের মধ্যে তাৎক্ষণিকভাবে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।'
পাগলাকানাই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কে এম নজরুল ইসলাম বলেন, 'আমি তাদের তালিকা সংগ্রহ করেছি। কয়েকদিনের মধ্যেই ত্রাণ সামগ্রী দেওয়া হবে। এর মাঝেই একটি মহল ষড়যন্ত্র করে এই ঘটনা ঘটিয়েছে।'








