যশোরের মনিরামপুরে রফিকুল ইসলাম (৫০) হত্যাকাণ্ডের কারণ উদ্ঘাটনে এ হত্যার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে কথিত পাঁচ চরমপন্থীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। যশোরের পুলিশ সুপার মুহাম্মদ আশরাফ হোসেন শনিবার (১৮ জুলাই) দুপুরে তার কার্যালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এই তথ্য জানিয়েছেন।
গত ৯ জুলাই দুপুরে মনিরামপুর উপজেলার কুচলিয়া এলাকায় প্রকাশ্য দিবালোকে খুন করা হয় রফিকুল ইসলামকে। তিনি একই উপজেলার মধুপুর গ্রামের আমারত বিশ্বাসের ছেলে। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী শিরিনা আক্তার অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে মনিরামপুর থানায় মামলা করেন বলে পুলিশ জানায়।
পুলিশ সুপার মুহাম্মদ আশরাফ হোসেন বলেন, ‘মামলাটি চাঞ্চল্যকর হওয়ায় জেলা গোয়েন্দা পুলিশ, কোতোয়ালি, অভয়নগর ও মনিরামপুর থানা যৌথ অভিযান পরিচালনা করে শুক্রবার (১৭ জুলাই) অভয়নগর ও মনিরামপুর উপজেলার বিভিন্ন স্থান থেকে হেলাল ভূঁইয়া (২০), মো. সেলিম (২২), হাসান আলী, সমীরণ পাঁড়ে (৫৪) ও তাপস মোড়ল (৩৮) নামে পাঁচ জনকে গ্রেফতার করে। একইসঙ্গে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি দোনলা বন্দুক, দুই রাউন্ড কার্তুজ ও তাদের ব্যববহৃত পাঁচটি মোবাইলফোন সেট উদ্ধার করা হয়।’
তিনি আরও জানান, গ্রেফতারকৃতরা নিজেদের চরমপন্থী সংগঠন-নিউ পূর্ববাংলা কমিউনিস্ট পার্টির সদস্য পরিচয় দিয়ে এলাকায় ঘের দখল, চাঁদাবাজিসহ নানা অপকর্ম করে আসছে। নিহত রফিকও একসময় তাদের সদস্য ছিল। ঘটনার দিন তাকে টাকা ও মোবাইলফোন সেট দেওয়ার কথা বলে পরিকল্পিতভাবে ঘটনাস্থলে ডেকে এনে গুলি করে ও গলা কেটে হত্যা করে। গ্রেফতারকৃতদের ১৬৪ ধারায় জবানবন্দী দেওয়ার জন্যে আদালতে পাঠানো হবে বলে জানানো হয়।
প্রেস ব্রিফিংয়ে অন্যদের মধ্যে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তৌহিদুল ইসলাম, সালাহউদ্দিন শিকদার, ডিবি পুলিশের ইনসপেক্টর মারুফ আহমেদসহ পুলিশ অফিসাররা উপস্থিত ছিলেন।








