যশোরে যুবদলের বিক্ষোভ সমাবেশে লাঠিচার্জ করেছে পুলিশ। শনিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বিকালে শহরের লালদীঘি পাড় এলাকায় জেলা বিএনপির কার্যালয়ের সামনে তাদের সমাবেশ চলাকালে এ ঘটনা ঘটে।
বিএনপি নেতাদের অভিযোগ, সমাবেশ শুরু হওয়ার কিছুক্ষণ পর পুলিশ এসে লাঠিচার্জ করে। এতে অন্তত ২৫ নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। তবে পুলিশের দাবি, করোনার বিধিনিষেধ না মেনে সমাবেশ করায় তাদের হটিয়ে দেওয়া হয়েছে।
সিরাজগঞ্জের যুবদল নেতা আকবর আলী হত্যার প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে যশোর জেলা বিএনপি কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করে যুবদল। সভায় বিএনপির খুলনা বিভাগীয় ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিতসহ জেলা বিএনপি ও যুবদলের নেতারা বক্তব্য দিচ্ছিলেন। ৫টার দিকে ডিবি পুলিশের একটি টিম সেখানে যায় এবং সমাবেশে অংশ নেওয়া নেতাকর্মীদের ওপর লাঠিচার্জ শুরু করে। এ সময় নেতাকর্মীরা ছোটাছুটি শুরু করেন।
জেলা যুবদলের সভাপতি এম তমাল আহমেদ বলেন, ‘নির্ধারিত এ কর্মসূচির বিষয়ে পুলিশ অবগত ছিল। কোনও কারণ ছাড়াই পুলিশের একটি টিম এসে সমাবেশের পেছনের দিকে থাকা নেতাকর্মীদের ওপর লাঠিচার্জ শুরু করে। এতে আমাদের অনেক কর্মী আহত হয়েছেন। আহতরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।’
বিএনপির খুলনা বিভাগীয় ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিতের দাবি, ‘কোনও কারণ ছাড়াই পুলিশ সমাবেশে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করেছে। অন্তত ২৫ নেতাকর্মীকে পিটিয়ে আহত করেছে।’ এ ঘটনায় তিনি দোষী পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।
যশোর কোতোয়ালী থানার ওসি (তদন্ত) শেখ তাসমীম আলম বলেন, ‘করোনার কারণে সরকার জনসমাগম না করতে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। কিন্তু তারা নির্দেশনা অমান্য করে সমাবেশের আয়োজন করেছে। ডিবি পুলিশের একটি টিম সেখানে গিয়ে তাদের সমাবেশ না করার জন্য বলে। এ সময় নেতাকর্মীরা ভয়ে ছোটাছুটি শুরু করে। সেখানে কোনও লাঠিচার্জ করা হয়নি। এ ঘটনায় কাউকে আটকও করা হয়নি।’









