খুলনার সোনাডাঙ্গার মীম আক্তার পুলিশের চাকরিতে যোগদান করে বর্তমানে ট্রেনিংয়ে রয়েছেন। মোট ছয় মাসের ট্রেনিংয়ের প্রায় চার মাস পার হয়েছে। গত ২৯ ডিসেম্বর থেকে ট্রেনিং করছেন।
মঙ্গলবার (১৯ এপ্রিল) খুলনা জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাহবুব হাসান জানিয়েছেন, পুলিশে যোগদান করে ছয় মাসের বেসিক ট্রেনিংয়ে রয়েছে সে। তার ট্রেনিং এখনও চলছে।
বাবা রবিউল ইসলাম বলেন, ‘ছয় মাসের ট্রেনিংয়ে রংপুরে আছে সে। তিন মাস শেষ হওয়ার পর গত ২৯ মার্চ খুলনায় এসেছিল। তিন দিনের ছুটি শেষে ১ এপ্রিল আবার ফিরে যায় ট্রেনিংয়ে। ট্রেনিংকালে ভাতা পাচ্ছে।’
তিনি জানান, মীমকে প্রধানমন্ত্রীর উপহারের জমি ও ঘর দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিল খুলনা জেলা প্রশাসন। তাই এ বিষয়ে এখন বটিয়াঘাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন। আজ দুপুরেও ইউএনও’র সঙ্গে কথা বলেছেন। তিনি বলেছেন, ‘জলমা মৌজায় জায়গা নির্ধারণ করা হয়েছে। একটি কালভার্ট নির্মাণকাজ চলার কারণে ওই জায়গায় মালামাল নেওয়ায় সমস্যা হচ্ছে। কালভার্ট নির্মাণ কাজ শেষ হলেই মীমের জন্য প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর নির্মাণকাজ শুরু করা হবে।’
উল্লেখ্য, মীম খুলনার সোনাডাঙ্গা থানার তিন নম্বর আবাসিক এলাকায় বসবাসরত রবিউল ইসলামের মেয়ে। পুলিশের নিয়োগ পরীক্ষায় অংশ নিয়ে প্রতিটি ধাপ সাফল্যের সঙ্গে উত্তীর্ণ হন। কিন্তু গত ১১ ডিসেম্বর সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করে জানান, স্থায়ী ঠিকানা না থাকার কারণে তার চাকরি হচ্ছে না। এ নিয়ে সংবাদ প্রকাশের পরে বিষয়টি নিয়ে আলোড়ন সৃষ্টি হয়। যা পুলিশ সদরদফতরের নজরদারিতেও যায়। সার্বিক বিষয় পর্যালোচনার পর তাকে ট্রেনিংয়ের জন্য ডাকা হয়। মীম আক্তারকে গত ২৪ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ৭টায় টেক্সটাইল মিল ফাঁড়িতে ডেকে নিয়ে একটি চিঠি দেওয়া হয়। সে চিঠিতে ২৯ ডিসেম্বর সকাল ৮টার মধ্যে পুলিশ রিজার্ভ অফিসে উপস্থিত হয়ে ট্রেনিংয়ের আহ্বান জানানো হয়। মীম ওইদিনই ট্রেনিংয়ে যান।









