খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচন আগামী ১২ জুন। এ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যেই জমজমাট প্রচারণা শুরু হয়েছে। পোস্টারে পোস্টারে ছেয়ে গেছে প্রধান সড়ক থেকে তৃণমূলের জনপদ। মাইকের অনবরত প্রচারে সৃষ্টি হয়েছে উৎসব আমেজ। বিকাল ও সন্ধ্যায় মিছিলে মিছিলে মুখরিত হচ্ছে বিভিন্ন এলাকা।
নগরীর গোবরচাকার নিবাসী আমজাদ হোসেন বলেন, ‘নির্বাচনের এখনও বেশ বাকি। কিন্তু এলাকা ইতোমধ্যেই পোস্টারে ছেয়ে গেছে। ভোট পর্যন্ত পোস্টারের কারণে আকাশ দেখা মুশকিল।’
টুটপাড়া নিবাসী আছিয়া আক্তার বলেন, ‘এবার আগেভাগেই পোস্টারে ছেয়ে গেছে নগরী। মাইকের প্রচারও বেশ।’
খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও মেয়রপ্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা তালুকদার আব্দুল খালেক বলেন, ‘নির্বাচনে ভোটকেন্দ্রে ভোটার আসবে। আওয়ামী লীগের নিজস্ব ভোট, সমমনা ও সাধারণ ভোটার মিলিয়ে ৬৫ ভাগ হবে। আরও বাড়ানোর জন্য উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি করতে প্রক্রিয়া চলছে।’
তিনি বলেন, ‘তরুণ ও আগামী প্রজন্মের জন্য স্মার্ট খুলনা গড়ে তোলা হবে। সেজন্যে দরকার নগরবাসীর স্বতঃস্ফূর্ত সমর্থন। অতীতে সমর্থন পেয়েছি আজও একইভাবে সমর্থন চাই।’
তালুকদার আব্দুল খালেক বলেন, ‘আগামীতে পরিকল্পিত পরিচ্ছন্ন পরিবেশবান্ধব খুলনা গড়তে হবে। যত বাধাই আসুক না কেন এই নগরীকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বাসযোগ্য করে যেতে হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাদের সঙ্গে আছেন। খুলনাসহ এই অঞ্চলের সার্বিক উন্নয়নে তিনি আন্তরিক। উন্নয়নসহ যেকোনো সমস্যা সমাধানে তিনি সহযোগিতা করবেন।’
খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে দলীয় প্রতীক লাঙ্গলের প্রচারণায় জাতীয় পার্টি মনোনীত মেয়র প্রার্থী শফিকুল ইসলাম মধু গণসংযোগ শুরু করছেন। তিনি বলেন, ‘খুলনা মহানগরের উন্নয়নে জাতীয় পার্টির বিকল্প কিছু দেখি না। এই নির্বাচনে উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটকেন্দ্রে যেতে পারবে কিনা তা নিয়ে সাধারণ মানুষ দ্বিধায় ভুগছে। সাধারণ মানুষ ভয় পাচ্ছে, মুখ খুলতে পারছে না। নির্বাচন কমিশনের কাছে আমার দাবি, আগামী ১২ জুনের নির্বাচনে সাধারণ মানুষ যেন উৎসবমুখর পরিবেশে কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিতে পারে। তাহলে আমার বিশ্বাস এবারের নির্বাচনে আমি মেয়র নির্বাচিত হবো।’









