মানবাধিকার লঙ্ঘনের সঙ্গে জড়িত রাষ্ট্রগুলোই জলবায়ু সংকটের জন্য দায়ী

মোংলা প্রতিনিধি
০৯ ডিসেম্বর ২০২৩, ১৭:৪১আপডেট : ০৯ ডিসেম্বর ২০২৩, ১৭:৪১

জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার পরিবেশ ও জলবায়ু বিপর্যয়ের সঙ্গে সঙ্গে মানবাধিকার লঙ্ঘন করছে। মানবাধিকার লঙ্ঘনের সঙ্গে জড়িত রাষ্ট্রগুলোই জলবায়ু সংকটের জন্য দায়ী।

জলবায়ু সংকট সুন্দরবনসহ পৃথিবীর বাস্তুসংস্থানকে বিনষ্ট করছে। জলবায়ু পরিবর্তনে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি পাওয়ায় সুন্দরবনের বন্যপ্রাণীর প্রজনন ব্যাহত হচ্ছে। উপকূলে সুপেয় পানির সংকট দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশ্ব নেতৃবৃন্দকে ভ্রান্ত জলবায়ু নীতি পরিহার করে জলবায়ু ন্যায্যতা নিশ্চিত করতে হবে।

শনিবার (৯ ডিসেম্বর) সকালে সুন্দরবনের ঢাংমারিতে ওয়াটারকিপার্স বাংলাদেশ, পশুর রিভার ওয়াটারকিপার ও ঢাংমারি ডলফিন সংরক্ষণ দলের আয়োজনে জলবায়ু ন্যায্যতার দাবিতে ‘গ্লোবাল ডে অব অ্যাকশন ফর ক্লাইমেট জাস্টিস’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে সুন্দরবনে বনজীবীদের অবস্থান কর্মসূচি পালনকালে বক্তারা এসব কথা বলেন।

এ সময় বক্তৃতা করেন বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের (বাপা) কেন্দ্রীয় যুগ্ম সম্পাদক পশুর রিভার ওয়াটারকিপার মো. নূর আলম শেখ, কৃষক নেতা কৃষ্ণপদ মন্ডল, বাপা নেতা ইদ্রিস ইমন, ওয়াটারকিপার্স বাংলাদেশ’র কমলা সরকার, নদীকর্মী সাংবাদিক হাছিব সর্দার, পরিবেশকর্মী শেখ রাসেল, বনজীবী মীরা বিশ্বাস, তরুণ মন্ডল, রানা বিশ্বাস, দীপক মন্ডল, কল্পনা সর্দার, মানস মন্ডল, সোনালি সর্দার, বেল্লাল ব্যাপারী প্রমুখ।

তারা বলেন, ‘ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাসসহ প্রাকৃতিক দুর্যোগ বৃদ্ধি পাওয়ায় উপকূলবাসী উদ্বাস্তু হয়ে পড়েছে। নদীভাঙন বৃদ্ধি পাওয়ায় মানুষ বাস্তুচ্যুত হচ্ছ। এ ছাড়া চারদিকে পানি থই থই করলেও নিরাপদ সুপেয় পানি পাচ্ছি না। সুন্দরবন উজাড় হয়ে যাচ্ছে। পরিবর্তিত জলবায়ুর সঙ্গে খাপ খেয়ে বন্যপ্রাণী টিকে থাকতে পারছে না। প্রাকৃতিক দুর্যোগে ঘরবাড়ি লন্ডভন্ডসহ জীবন-জীবিকা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। তাই জলবায়ু ন্যায্যতা প্রতিষ্ঠায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে জলবায়ু অর্থায়ন বিতরণ নিশ্চিত করতে হবে।’ জলবায়ু অবস্থান কর্মসূচিতে কয়েকশ বনজীবী অংশগ্রহণ করেন।

/কেএইচটি/
সম্পর্কিত
ঢাকাকে বাঁচাতে জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা ডিএসসিসি প্রশাসকের
অ্যান্টার্কটিকায় গায়েব ফ্রান্সের সমান বরফ!
‘ওয়ান চাইল্ড, ওয়ান ট্রি’ কর্মসূচিজলবায়ু ট্রাস্টে শত কোটি টাকার প্রস্তাব
সর্বশেষ খবর
স্ত্রী হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডাদেশ থেকে খালাস পেলেন স্বামী
হাইকোর্টের বিশেষ বেঞ্চের প্রথম রায়স্ত্রী হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডাদেশ থেকে খালাস পেলেন স্বামী
ট্রাম্পকে নিয়ে হট মাইকে ম্যাক্রোঁর গোপন স্বীকারোক্তি
ট্রাম্পকে নিয়ে হট মাইকে ম্যাক্রোঁর গোপন স্বীকারোক্তি
এনবিএফআই কেলেঙ্কারির দায় কেন আমানতকারীদের ওপর?
১০ লাখ টাকার সীমা ঘিরে তোলপাড়এনবিএফআই কেলেঙ্কারির দায় কেন আমানতকারীদের ওপর?
সব মাদ্রাসা সরকারি করে সরকার প্রমাণ করুক তারা ইসলামবান্ধব: জামায়াত এমপি
সব মাদ্রাসা সরকারি করে সরকার প্রমাণ করুক তারা ইসলামবান্ধব: জামায়াত এমপি
সর্বাধিক পঠিত
মাগুরার নতুন ডিসিকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকায় পাঠানো হলো
মাগুরার নতুন ডিসিকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকায় পাঠানো হলো
সরকারি প্রতিষ্ঠানে বড় পদে আফরোজা আব্বাস, প্রজ্ঞাপন জারি
সরকারি প্রতিষ্ঠানে বড় পদে আফরোজা আব্বাস, প্রজ্ঞাপন জারি
ভারতের সঙ্গে আমরা সম্পৃক্ত হতে চাই: ডা. জাহেদ 
ভারতের সঙ্গে আমরা সম্পৃক্ত হতে চাই: ডা. জাহেদ 
প্রতিমন্ত্রীর দুই ছেলে ও পৈতৃক বাড়ির নামে তিন ইউনিয়ন গঠন
প্রতিমন্ত্রীর দুই ছেলে ও পৈতৃক বাড়ির নামে তিন ইউনিয়ন গঠন
নতুন করে আস্থার সংকটে ইসলামী ব্যাংক, কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি 
নতুন করে আস্থার সংকটে ইসলামী ব্যাংক, কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি