খুলনায় চিকিৎসা ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম, অনুমোদনবিহীন ল্যাব পরিচালনা, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে অস্ত্রোপচার করায় ২টি প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করা হয়েছে। র্যাবের পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালত কর্তৃক দেড় লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। প্রতিষ্ঠান দুটি হচ্ছে ছফুরা ক্লিনিক ও মোহাম্মাদনগর হসপিটাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার।
র্যাব-৬ এর পরিচালক লে. কর্নেল মোহাম্মদ ফিরোজ কবির এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, বুধবার (১৭ জানুয়ারি) র্যাব-৬ (স্পেশাল কোম্পানি) খুলনার আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে কেএমপির হরিণটানা থানাধীন মোহাম্মাদনগর এলাকায় ছফুরা ক্লিনিক ও মোহাম্মাদনগর হসপিটাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসা ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম, অনুমোদনবিহীন ল্যাব পরিচালনা, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে অস্ত্রোপচার পরিচালনা করে আসছে। প্রাপ্ত সংবাদের ভিত্তিতে আভিযানিক দলটি সহকারী কমিশনার স্থানীয় সরকার শাখা, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহযোগিতায় মোহাম্মাদনগর গল্লামারি এলাকায় ছফুরা ক্লিনিক ও মোহাম্মাদনগর হসপিটাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে।
এ সময় ছফুরা ক্লিনিকের মালিক মো. জিয়াউর রহমানকে (৩৩) চিকিৎসা ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম করায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ এর ৫৩ ধারা মোতাবেক এক লাখ টাকা এবং মোহাম্মাদনগর হসপিটাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মালিক মিসেস নুরুননাহারকে (৪১) পঞ্চাশ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। জরিমানার অর্থ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি তাৎক্ষণিক প্রদান করায় সরকারি কোষাগারে জমা করা হয়েছে।
লে. কর্নেল মোহাম্মদ ফিরোজ কবির বলেন, ‘র্যাব অপ্রতিরোধ্য উন্নয়ন অগ্রযাত্রাকে ত্বরান্বিত করতে এবং নাগরিকদের টেকসই নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনের আলোকে কঠোর পরিশ্রম করে যাচ্ছে। এ ছাড়াও বিভিন্ন সময়ে সংঘটিত চাঞ্চল্যকর অপরাধে জড়িত অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে র্যাব জনগণের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।’









