‘শাহীন চাকলাদারের ইন্ধনে কাউন্সিলর মিলনকে আটক করেছে পুলিশ’

যশোর প্রতিনিধি
১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ০০:১০আপডেট : ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ০০:১২

যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীন চাকলাদারের ইন্ধনে পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর শেখ জাহিদ হোসেন মিলনকে আটক করেছে পুলিশ। এমন অভিযোগ করেছেন সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন বিপুল ও পৌরসভার ১ নম্বর প্যানেল মেয়র শেখ মোকছিমুল বারীসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা। বৃহস্পতিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় এ অভিযোগ করেন তারা।

একইসঙ্গে পুলিশের বিরুদ্ধে পক্ষপাতের অভিযোগ এনে জেলা পুলিশ সুপার প্রলয় কুমার জোয়ার্দ্দার ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বেলাল হুসাইনের অপসারণের দাবিতে কর্মবিরতির ঘোষণা দিয়েছেন জেলার বিভিন্ন স্তরের জনপ্রতিনিধিরা। বৃহস্পতিবার পৌরসভা হলরুমে সংবাদ সম্মেলন করে এ ঘোষণা দেন তারা।

এর আগে বুধবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় শহরের পালবাড়ী কাঁচাবাজার এলাকায় নিজ কার্যালয় থেকে তিন সহযোগীসহ কাউন্সিলর শেখ জাহিদ হোসেন মিলনকে আটক করেছিল পুলিশ। সে সমময় পুলিশ তাকে জনসম্মুখে ব্যাপক মারধর করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। আটক অন্য তিন জন হলেন টালিখোলা এলাকার দস্তগীর হোসেন উজ্জ্বল, মারুফুজ্জামান ও আমবাগান এলাকার শফিকুল ইসলাম।

পৌরসভা ও সদর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের জনপ্রতিনিধির অভিযোগ, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীন চাকলাদারের ইন্ধনে পুলিশ সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যমূলকভাবে প্রতিপক্ষের জনপ্রতিনিধিদের হয়রানির মাধ্যমে সম্মানহানি করছেন। তারই ধারাবাহিকতায় গত কয়েকদিন ধরে পৌরসভার কাউন্সিলর যথাক্রমে শেখ জাহিদ হোসেন মিলন, রাজিবুল আলম, শাহেদ হোসেন নয়ন, শাহিদুর রহমান রিপনসহ বেশ কয়েকজনের অফিস ভাঙচুর করেছে পুলিশ। এমনকি তারা এসব কাউন্সিলরের বাসভবনেও হামলা করেছে। পুলিশের এই অপতৎপরতার মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধী ও সন্ত্রাসীকে আড়াল করা হচ্ছে।

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বেলাল হুসাইন বলেছেন, ‘পুলিশ কারও পক্ষে অবস্থান নেয়নি। আইন ও বিধি অনুসারে অভিযান পরিচালনা করে তাদের আটক করা হচ্ছে।’

পুলিশের এমন দাবি সঠিক নয় উল্লেখ করে সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ও জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন বিপুল বলেন, ‘বুধবার কাউন্সিলর মিলনকে জনসম্মুখে মারতে মারতে নিয়ে যায় পুলিশ। মনে রাখা দরকার তিনি একজন জনপ্রতিনিধি। সারা শহরে এমন একটা পরিবেশ তৈরি করা হয়েছে, যেন যুদ্ধক্ষেত্র। মনে হচ্ছে, জনপ্রতিনিধিদের আটক করা ছাড়া পুলিশের কোনও কাজ নেই।’

প্রথমে সংবাদ সম্মেলন প্রেসক্লাব যশোরে হওয়ার কথা থাকলেও পুলিশের বাধার মুখে তা পরে পৌরসভার হলরুমে করা হয়

জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীন চাকলাদারকে ইঙ্গিত করে বিপুল বলেন, ‘তার সঙ্গে পুলিশের আঁতাত আছে। যে কারণে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটাচ্ছে। আমি নিজে সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান। অথচ আমিও নিরাপদ নই। ইতোপূর্বে আমার বাড়িতে বোমা হামলা হয়েছে। যদিও পুলিশ সে মামলায় আসামি আটক না করে চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। এখন চাকলাদারের পক্ষ নিয়ে আমাদের লোকজনকে আটক ও হয়রানি করছে পুলিশ। এজন্য পুলিশ সুপার প্রলয় কুমার জোয়ার্দ্দার ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বেলাল হুসাইনের অপসারণের দাবিতে কর্মবিরতির ঘোষণা দিয়েছেন জেলার বিভিন্ন স্তরের জনপ্রতিনিধিরা। তাদের অপসারণ না করা পর্যন্ত লাগাতার আন্দোলন চালিয়ে যাবো আমরা।’

এসব অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বেলাল হুসাইন বলেন, ‘সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে কাউন্সিলর মিলনসহ চার জনকে আটক করা হয়েছে। কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নন। সে তিনি কাউন্সিলর হন, আর পুলিশ অফিসার হন। অন্যায়ভাবে কাউকে আটক করা হচ্ছে না।’

পুলিশের বিরুদ্ধে পক্ষপাতের অভিযোগ অস্বীকার করে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বলেন, ‘কারও পক্ষে পুলিশ কাজ করে না। আইনশৃঙ্খলা রক্ষার্থে আমরা কাজ করছি। কাউন্সিলর মিলনকে বুধবার সন্ধ্যায় বিদেশি মদসহ আটক করা হয়েছে। মাদক মামলায় তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।’

পৌরসভার ১ নম্বর প্যানেল মেয়র শেখ মোকছিমুল বারী অপু বলেন, ‘গত ৬ নভেম্বর যশোরের পুলিশ সুপার প্রলয় কুমার জোয়ার্দ্দার নিয়মতান্ত্রিকভাবে পদোন্নতি পেয়েছেন। কিন্তু তিনি যশোর ছাড়তে চাইছেন না। বরং এখানে থাকার জন্য তদবির করছেন। আমরা জানতে চাই, যশোরে তিনি বিশেষ কী পেয়েছেন যে পদোন্নতি পেয়েও যেতে চাইছেন না। পুলিশ সুপার ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালনের পরিবর্তে যশোরে বিদ্যমান রাজনৈতিক গ্রুপে জড়িয়ে পড়েছেন। একপক্ষের হয়ে আরেক পক্ষের জনপ্রতিনিধিদের আটক ও হয়রানি করছেন। কাজেই পুলিশ সুপার ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপারকে প্রত্যাহার করা না হলে পৌরসভারসহ সদর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের জনপ্রতিনিধিরা ধারাবাহিক কর্মবিরতি পালন করবেন।’

কাউন্সিলর শেখ জাহিদ হোসেন মিলনের কার্যালয় ভাঙচুরের অভিযোগ

এসপি-এএসপির অপসারণের দাবিতে আন্দোলনে জনপ্রতিনিধিরা

এর আগে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় পৌরসভা হলরুমে সংবাদ সম্মেলন করে পুলিশ সুপার প্রলয় কুমার জোয়ার্দ্দার ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বেলাল হুসাইনের অপসারণের দাবিতে কর্মবিরতির ঘোষণা দেন জনপ্রতিনিধিরা। 

প্রথমে সংবাদ সম্মেলন প্রেসক্লাব যশোরে হওয়ার কথা থাকলেও পুলিশের বাধার মুখে তা পরে পৌরসভার হলরুমে করা হয়। সংবাদ সম্মেলন থেকে একই দাবিতে শুক্রবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) মানববন্ধন, ১৭ ফেব্রুয়ারি বিক্ষোভ মিছিল, ১৮ ফেব্রুয়ারি দড়াটানায় বিক্ষোভ সমাবেশ করার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এরপরও তাদের অপসারণ করা না হলে হরতাল-অবরোধ কর্মসূচি দেওয়া হবে বলে সংবাদ সম্মেলন থেকে জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন পৌরসভার ১ নম্বর প্যানেল মেয়র শেখ মোকছিমুল বারী অপু। এতে আরও উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন বিপুল, হৈতবপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু সিদ্দিক, চুড়ামনকাটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান দাউদ হোসেন দফাদার, লেবুতলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলীমুজ্জামান মিলন, উপশহর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এহসানুর রহমান লিটু, হৈবতপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ সোহরাব হোসেন, রামনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাহমুদ হাসান লাইফ, নরেন্দ্রপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রাজু আহমেদ, যশোর পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সাহিদুর রহমান রিপন, ৫ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর রাজিবুল আলম, ৭ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর সাহেদ হোসেন নয়ন ও ৯ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান বাবুল।

এছাড়া জনপ্রতিনিধিদের কর্মসূচিতে সংহতি প্রকাশ করে সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মেহেদী হাসান মিন্টু, সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম আফজাল হোসেন ও জেলা শ্রমিক লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জেলা পরিষদ সদস্য জবেদ আলী প্রমুখ।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতিশ্রুত নাগরিক সেবা আমরা জনপ্রতিনিধিরা তৃণমূলের সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে কাজ করি। ডিজিটাল থেকে স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে আমরাই তৃণমূল পর্যায়ে কাজ করছি। কিন্তু যশোরের পুলিশ সুপার প্রলয় কুমার জোয়ার্দ্দার ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বেলাল হুসাইন জনপ্রতিনিধিদের নানাভাবে হয়রানির মাধ্যমে সম্মানহানি করছেন। তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার পরিবর্তে জনপ্রতিনিধিদের জনসম্মুখে সম্মানহানি করছেন।

যশোর পৌরসভা হলরুমে সংবাদ সম্মেলন জনপ্রতিনিধিদের

সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, গত কয়েকদিন ধরে পৌরসভার কাউন্সিলর শেখ জাহিদ হোসেন মিলন, রাজিবুল আলম, শাহেদ হোসেন নয়ন, সাহিদুর রহমান রিপনসহ বেশ কয়েকজন জনপ্রতিনিধির অফিস ভাঙচুর করেছে পুলিশ। বুধবার সুনির্দিষ্ট কোনও মামলা না থাকলেও কাউন্সিলর মিলনকে আটক করে অমানসিক নির্যাতন করা হয়েছে। কোনও কিছু ঘটলেই এসব জনপ্রিয় কাউন্সিলরের অফিস ও বাসভবনে হামলা করে পুলিশ। তাদের এই অপতৎপরতার মাধ্যমে প্রকৃতপক্ষে যারা অপরাধী, সন্ত্রাসী তাদের আড়াল করা হচ্ছে। বেশ আগে থেকেই যশোরের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি চরম অবনতি হয়েছে। চুরি, মাদক ব্যবসা, চাঁদাবাজি বেড়েছে। খুনের মতো ঘটনা ঘটছে অহরহ। আমরা বরাবর ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের আটকের পক্ষে। এসব ঘটনার অধিকাংশ সিসিটিভি ফুটেজ রয়েছে। কিন্তু সেই ফুটেজ অনুযায়ী আসামিদের আটক না করে অন্যদের হয়রানি করা হচ্ছে। এর আগে যুবলীগের বর্ধিত সভার দিন সন্ত্রাসীদের সংঘর্ষ, কাউন্সিলর সাহেদ হোসেন নয়নের ওপর হামলাসহ অনেক ঘটনা রয়েছে, যার কোনও মামলা নেওয়া হয়নি। ভুক্তভোগী পরিবারের লোকজন থানায় গেলে ‘এসপির নির্দেশ আছে মামলা নেওয়া যাবে না’ বলে তাদের থানা থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে। ২০২১ সালে সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন বিপুলের বাসভবনে বোমা নিক্ষেপ করা হয়েছিল। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, মুখ কাপড় দিয়ে বাঁধা ব্যক্তি বোমা ছুড়ে দ্রুত পালিয়ে যাচ্ছে। তদন্তকারী কর্মকর্তাসহ প্রশাসনের কাছে সেই সিসিটিভি ফুটেজ সরবরাহ করা হয়েছিল। কিন্তু আসামি আটক না করে সেই মামলায় ফাইনাল রিপোর্ট দেওয়া হয়েছে।

পুলিশ সুপার ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের অপসারণ দাবি করে সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, তারা যশোরে থাকলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসার সুযোগ নেই। তারা রক্ষক হয়ে ভক্ষকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছেন। এজন্য আমরা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে যশোরের মানুষের জান ও মালের নিরাপত্তার জন্য পুলিশ সুপার ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের অপসারণ দাবি করছি। এই দাবিতে আজ থেকে আমরা জনপ্রতিনিধিরা কর্মবিরতি পালন শুরু করেছি। তাদের অপসারণ না হওয়া পর্যন্ত আমাদের এই কর্মবিরতি অব্যাহত থাকবে। 

/এএম/
সম্পর্কিত
কিশোর গ্যাং ধরে তাবলীগে পাঠাবো: পুলিশ সুপার
ইউনিয়ন কক্ষে কোটি টাকা, ক্যাম্পাসে শয়নকক্ষ; কলকাতার কলেজে তোলপাড়
মোহাম্মদপুরে ছিনতাইয়ের কবলে দুই বোন: বাইরে থেকে এসে ছিনতাই করতো চক্রটি 
সর্বশেষ খবর
গৃহবধূকে ধর্ষণ, ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার
গৃহবধূকে ধর্ষণ, ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
পঞ্চগড়ে ভাগনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও মামিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা
পঞ্চগড়ে ভাগনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও মামিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা
বাসায় ফিরে বিএনপি সরকারকে ধন্যবাদ জানালেন আ.লীগের আইভী
বাসায় ফিরে বিএনপি সরকারকে ধন্যবাদ জানালেন আ.লীগের আইভী
সর্বাধিক পঠিত
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম