বাগেরহাটে এক কিশোরীকে চেতনানাশক ওষুধ খাইয়ে অপহরণ ও ধর্ষণের ঘটনায় প্রধান আসামিসহ তিন জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আসামিরা হলো- প্রধান আসামি গৌরাঙ্গ দাশ (৩৫), নিত্যানন্দ দাশ (৩৫) ও তন্ময় দাশ (৩৮)। তারা তিন জনই আপন ভাই। তাদের বাবা বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার বেতাগাঁয়ের সৌভাগ্য দাশ।
র্যাব-৬ এর পরিচালক লে. কর্নেল ফায়েজুল আরেফিন এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, সোমবার (১৪ অক্টোবর) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঝিনাইদহ জেলার সদর থানাধীন গাবতলা এলাকায় অভিযান চালিয়ে গৌরাঙ্গ ও নিত্যানন্দকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে খুলনার রূপসা থানাধীন ইলাইপুর বাজারে অভিযান চালিয়ে তন্ময়কে গ্রেফতার করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা ধর্ষণের সঙ্গে জড়িত থাকার বিষয়টি স্বীকার করে। পরে তাদেরকে বাগেরহাট জেলার ফকিরহাট থানায় হস্তান্তর করা হয়।
উল্লেখ্য, গত ২৬ সেপ্টেম্বর বাগেরহাট জেলার ফকিরহাট থানায় ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরীকে অপহরণ করে ধর্ষণের ঘটনায় মামলা হয়। ভুক্তভোগীর বাবা বাড়িতে না থাকায় প্রধান আসামি গৌরাঙ্গ কৌশলে চেতনাশক ওষুধ কোমল পানীয়ের সঙ্গে মিশিয়ে পান করতে দেয়। ওষুধের প্রতিক্রিয়ায় সে ঘুমিয়ে পড়ে। পরে রাত আনুমানিক সাড়ে ১০টার দিকে ভুক্তভোগীর ঘরের দরজা খোলা দেখতে পান। তখন মেয়েকে ঘরে না দেখতে পেয়ে চিৎকার শুরু করেন। তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন এলে সবাই একসঙ্গে তার মেয়েকে খুঁজতে থাকেন। খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে পার্শ্ববর্তী সুপারি বাগানে তাদেরকে পান। আসামিরা ভিকটিমের মা ও তার দাদাকে দেখে দৌড়ে পালিয়ে যায়।
কিশোরীকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। ঘটনা ধামাচাপা দিতে আসামিরা ভুক্তভোগীর পরিবারকে বিভিন্নভাবে হুমকি ও ভয়ভীতি দেখায়।









