বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, ‘কথিত মানবতাবিরোধী সাজানো অপরাধের নামে জামায়াতের যেসব নেতৃবৃন্দ হত্যার শিকার হয়েছে- আমরা তাদের কাছে ঋণী। তাদের ঋণ পরিশোধ করতে হবে। আজকে যেই বাংলাদেশ হয়েছে মানবতাবিরোধী অপরাধে শহিদরাও সেই বাংলাদেশ চেয়েছিল। সুতরাং সেই বিচার হতেই হবে। জুডিশিয়াল ক্যু করে জামায়াত নেতৃবৃন্দকে ফাঁসি দেওয়া হয়েছে। সেই জুডিশিয়াল ক্যুর সঙ্গে যারা জড়িত রয়েছে তাদেরকে বিচারের আওতায় আনতে হবে।’
মঙ্গলবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বিকালে খুলনা মহানগর সংলগ্ন হরিণটানা থানাধীন আরাফাত নগর ইউনিট জামায়াতে ইসলামীর কর্মী সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘আগামী নির্বাচন হতে হবে ৫ আগস্টের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে একটি জাতীয় ঐক্যের নির্বাচন। বাংলাদেশের মানুষ ২০১৪, ১৮ ও ২৪-এর মতো কোনও নির্বাচন আর দেখতে চায় না। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে সে নির্বাচন হতে হবে পুলিশ ও সিভিল প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সব রাষ্ট্রীয় অর্গানের সংস্কার করে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন। ১৫ বছরের জঞ্জাল পরিষ্কার করেই হতে হবে আগামী নির্বাচন। সেই সঙ্গে যারা বিগত দেড় দশকে লুটপাট, খুন, দুর্নীতি, অনিয়ম করেছে তাদেরকে ট্রাইব্যুনালে বিচার করতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষ ফ্যাসিবাদ কখনও মেনে নেবে না। আমরা সবাই ঐকমত্যের ভিত্তিতেই চলতে চাই। যারা কিছু কিছু সুবিধা নিচ্ছেন, তারা আমাদের সঙ্গে একমত নাও হতে পারেন। আমরা গণতান্ত্রিক উপায়ে নির্বাচন চাই, তা হবে সুষ্ঠুভাবে, সঠিকভাবে। আমরা নিয়ম তান্ত্রিকভাবে বাংলাদেশের সরকার গঠন করতে চাই।’
হরিণটানা থানা জামায়াতে ইসলামীর আমির আব্দুল গফুরের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি ব ম মনিরুল ইসলাম এবং আমির হোসেনের পরিচালনায় বিশেষ অতিথি ছিলেন- খুলনা জেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি মুন্সি মিজানুর রহমান, সহকারী সেক্রেটারি মিয়া গোলাম কুদ্দুস, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের খুলনা মহানগরী সভাপতি আজিজুল ইসলাম ফারাজি ও ডুমুরিয়া উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা মোক্তার হোসাইন।








