সুন্দরবনের শ্যালা নদীর হরিণটানা এলাকায় শনিবার সর্বশেষ কার্গো ডুবির ঘটনার পর মধ্য দিয়ে স্থায়ীভাবে নৌযান চলাচল বন্ধ ঘোষিত হয়েছে নদীটিতে।বুধবার দুপুরে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশের নৌ মন্ত্রণালয়।
এদিকে তলা ফেটে গিয়ে ১ হাজার ২৩৫ টন কয়লাবাহী কার্গো ডুবির ঘটনায় বনবিভাগ গঠিত কমিটি একটি প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। বুধবার দুপুরে সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মো. সাইদুল ইসলামের কাছে এ প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়। তদন্ত কমিটির প্রধান সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) কামাল উদ্দিন আহমেদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
নির্ভরযোগ্য সূত্র জানান, সচিবালয়ে নৌমন্ত্রী শাজাহান খান নদী রক্ষা সংক্রান্ত টাস্কফোর্সের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের বলেন, শ্যালা নদীতে তেলবাহী ট্যাংকার ও পরে কয়লাবাহী জাহাজ দুর্ঘটনায় পরিবেশগত হুমকি দেখা দিয়েছে। এ ঘটনায় জাতীয় উদ্বেগ আমলে নেওয়া হয়েছে।
বৈঠক শেষে নৌমন্ত্রী বলেন, ‘এরপর থেকে আর কোনও জাহাজ শ্যালা নদী দিয়ে চলাচল করবে না। এ বিষয়ে আমরা সিদ্ধান্ত দিয়েছি।
উপস্থাপিত প্রতিবেদনে তদন্ত কমিটি তিনটি সুপারিশ করেছে বলে জানান এসিএফ কামাল উদ্দিন আহমেদ।সুপারিশ গুলো হলো, শ্যালা নদীতে স্থায়ীভাবে সব ধরনের নৌযান চলাচল বন্ধ করা, শ্যালা নদীতে ডুবে থাকা দুটি জাহাজ দ্রুত উত্তোলন করা এবং নতুন দুর্ঘটনা এড়াতে অতীতে নদীর যেসব স্থানে জাহাজ ডুবেছে ওসব স্থান চিহ্নিত করা।
২০১৪ সালের ৯ ডিসেম্বর সুন্দরবনের শ্যালা নদীতে ওটি সাউদার্ন স্টার-৭ নামে একটি তেলবাহী ট্যাঙ্কার ডুবে যায়। সেসময় সুন্দরবনের এই নৌপথ দিয়ে যান চলাচল বন্ধ করতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক, সাংষ্কৃতিক ও পরিবেশবাদী সংগঠন দাবী জানিয়েছে।
/এইচকে/








