জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলায় আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান প্রার্থী ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে পুলিশসহ কমপক্ষে ১০ জন আহত হয়েছে। মঙ্গলবার রাত ১১টার দিকে ধানুয়া কামালপুর ইউনিয়নের কামালপুর মৃর্ধাপাড়া এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। এসময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ৭৩ রাউন্ড গুলি ছুড়েছে। সংঘর্ষের সময় ১০ জনকে আটক করেছে পুলিশ।
পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এলাকায় ৩ প্লাটুন পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এই ঘটনায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুল্লাহ আল মোকারেছ খোকন ও ছাত্রলীগের সভাপতি জাহিদুল ইসলাম জুমানসহ ৫০০ জনের বিরুদ্ধে বকশীগঞ্জ থানায় ৪টি পৃথক মামলা হয়েছে।
আরও পড়তে পারেন : পাঠ্যপুস্তক থেকে ‘নাস্তিক ও ইসলামবিরোধী’দের লেখা বাতিলের দাবি
পুলিশ জানায়, বকশীগঞ্জের কামালপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের দলীয় চেয়ারম্যান প্রার্থী হাসান যুবায়ের হিটলার ও স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী মোস্তফা কামালের সমর্থকদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এর এক পর্যায়ে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়েছে। এক পর্যায়ে নৌকার সমর্থকরা স্বতন্ত্র প্রার্থী মোস্তফা কামালের নির্বাচনি অফিস ভাংচুর করে। এসময় মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিল এর তথ্য গবেষণা সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা মাহবুবুল হক বাবুল চিশতির বাসভবনও ভাংচুর করে।
সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ৭৩ রাউন্ড গুলি করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে আওয়ামী লীগ কর্মী রবিন, আলম, সুরতান, মনো মিয়া, ইমান আলীসহ ১০ জনকে আটক করেছে। পুলিশের ওপর হামলা ঘটনায় ১টিসহ মোট ৪টি মামলা হয়েছে বকশীগঞ্জ থানায়। মামলায় ১৫০ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ৫০০ জনকে আসামি করা হয়েছে। এই নিয়ে এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।
বকশীগঞ্জ থানার ওসি আসলাম হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ৪ মে বুধবার গ্রেফতারকৃতদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার পর থেকে ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এখন পরিস্থিতি স্বভাবিক রয়েছে।
আগামী ৭ মে বকশীগঞ্জ উপজেলার ৫টি ইউনিয়নে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
/জেবি/








