জামালপুরের সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে। রেল লাইনে পানি উঠায় জামালপুর-দেওয়ানগঞ্জ রুটে বন্ধ হয়ে গেছে ট্রেন চলাচল।
যমুনার পানি সামান্য কমলেও ব্রহ্মপুত্রসহ শাখা নদীগুলোর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় যমুনার পানি ৪ সেন্টিমিটার কমলেও এখনো বাহাদুরাবাদ পয়েন্টে বিপদসীমার ১১৭ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বন্যায় জামালপুর জেলার ৭টি উপজেলার ৪ লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি রয়েছে। মেলান্দহ উপজেলার দুরমুঠ এলাকায় রেল লাইনে পানি উঠায় শুক্রবার রাত থেকে জামালপুর-দেওয়ানগঞ্জ রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে। ভাঙনের ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে তারাকান্দি-ভূয়াপুর সড়ক ।
এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে পানিবন্দি মানুষের দুর্ভোগ চরমে পৌছে। কাজ নেই, খাবার নেই। চারদিক পানিতে তলিয়ে থাকায় মিলছেনা গো-খাদ্য। এর ওপর বাঁধ ও উচু স্থানে আশ্রয় নেওয়া দুর্গতদের মধ্যে দেখা দিয়েছে ডাকাত আতঙ্ক। নিজেদের শেষ সম্বলটুকু রক্ষায় রাত জেগে পাহাড়ায় থাকতে হচ্ছে তাদের।
দুর্গতদের মধ্যে ৫৬৭ মেট্রিক টন চাল ছাড়াও রুটি, খিচুরি ও পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট বিতরণ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে জামালপুরের জেলা প্রশাসক মো. শাহাবুদ্দিন খান।
/জেবি/
আরও পড়তে পারেন : শিক্ষার্থীদের জঙ্গি-সন্ত্রাসবিরোধী শপথ বাক্য পাঠ করালেন কাজী নাবিল








