কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী বলেছেন, ‘৯৬ সালে যখন আমরা ক্ষমতায় এলাম, তখন দেশে বন্যা হয়েছিল। তখন শেখ হাসিনা নয়টা মাস ২০ কেজি করে চাল দিয়েছেন। বিদেশ থেকে চাল কিনে এনে দিয়েছেন। অথচ তখন আমরা খাদ্যে স্বয়ং-সম্পূর্ণ ছিলাম না। কিন্তু বাপের বেটি পিছায়নি। এখন আল্লাহর রহমতে আমরা খাদ্যে স্বয়ং-সম্পূর্ণ। এমনকি শ্রীলংকায় আমরা চাল রফতানি করি। নেপালে ভূমিকম্প হয়েছে, আমরা চাল সাহায্য পাঠিয়েছি। আল্লাহ এই দিনগুলো দেখার জন্যই রাজনীতিতে আমাদের এতদূর এনেছেন। শেখ হাসিনা সব হারিয়েও বাংলাদেশের রাজনীতিতে আজ বিশ্বের উজ্জ্বল নক্ষত্র।’
বৃহস্পতিবার দুপুরে নিজ নির্বাচনি এলাকা শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলায় রুপনারায়নকুড়া ইউনিয়ন পরিষদ আয়োজিত ১০ কেজি করে স্পেশাল ভিজিএফ চাল বিতরণী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন কৃষিমন্ত্রী।
দলীয় নির্বাচিত চেয়ারম্যানদের উদ্দেশ্যে মন্ত্রী বলেন, ‘নৌকা ছিল বলে চেয়ারম্যান হয়েছেন, তা না হলে হয়তো মেম্বারও হতে পারতেন না। ভাল কাজ করলে পার্টি আপনাদের সঙ্গে থাকবে। খারাপ কাজের দায় আওয়ামী লীগ নিবে না।’
তিনি বলেন, ‘বহিষ্কৃতরা আবেদন করে আবার সদস্য হতে পারবেন। আমরা আওয়ামী লীগকে সার্কাস পার্টি হতে দেব না।
মন্ত্রী দিনব্যাপী নালিতাবাড়ী উপজেলার ১২টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় ১৫ হাজার ২৫৭ জনের মাঝে ১০ কেজি করে এবং নকলা উপজেলার উরফা ইউনিয়নের হতদরিদ্রদের মাঝে বিনামূল্যে স্পেশাল ভিজিএফ এর চাল বিতরণ করেন। এছাড়াও মন্ত্রীর স্বেচ্ছা তহবিল থেকে নালিতাবাড়ীর পুড়ে যাওয়া আটটি বাড়ির মালিককে মোট ৩৬ হাজার টাকা আর্থিক সাহায্য, ৪টি কলেজের প্রতিটিকে ৫৪ হাজার টাকা ও দুটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৪৫ হাজার টাকা করে আর্থিক অনুদান দেন।
এ সময় মন্ত্রীর সফর সঙ্গী হিসেবে শেরপুরের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. আরিফুল ইসলাম খান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সালাউদ্দিন সিকদার, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) লাবনী খন্দকার, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক আশরাফ হোসেন, নালিতাবাড়ী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান একেএম মুখলেছুর রহমান রিপন, ভাইস চেয়ারম্যান আছমত আরা, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তরফদার সোহেল রহমান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউল হোসেন মাস্টার, সাধারণ সম্পাদক ফজলুল হকসহ সরকারি কর্মকর্তা ও দলীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন:
জঙ্গি অর্থায়নে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ দেশের তালিকা থেকে বাংলাদেশ বাদ
/বিটি/








