ময়মনসিংহের গৌরীপুর থানায় আগুনে পুড়ে নারী কনস্টেবল হালিমা আক্তারের মৃত্যু হয়েছে। রবিবার (২ এপ্রিল) বিকালে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ ধারণা করছে, শরীরে কেরোসিন ঢেলে আগুন জ্বালিয়ে আত্মহত্যা করেছেন তিনি। একই থানার এসআই মিজানুল ইসলামের সঙ্গে সম্পর্কের জেরে হালিমা আত্মহত্যা করেছেন বলে ধারণা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এসএ নেওয়াজীর।
হালিমাকে আত্মহত্যার পথ বেছে নেওয়ার পেছনে জড়িত থাকার অভিযোগে এসআই মিজানুলকে ইতোমধ্যে প্রত্যাহার করা হয়েছে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এসএ নেওয়াজী জানান, পুলিশি হেফাজতে এসআই মিজানুল ইসলামকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
২০১১ সালে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীতে যোগ দেয় হালিমা আক্তার। তার বাড়ি নেত্রকোনা জেলার পূর্বধলা উপজেলার গৌরাকান্দা গ্রামে। তিনি বীরমুক্তিযোদ্ধা হেলাল উদ্দিন আকন্দের মেয়ে।
গৌরীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ দেলোয়ার আহম্মদ জানায়, গৌরীপুর থানায় ডিউটি ছেড়ে হালিমা খাতুন ব্যারাকে যায়। বিকাল ৩টার দিকে নারী ব্যারাকে (কক্ষ নং-১০৪৭) আগুন দেখতে পেয়ে অগ্নিদগ্ধ পুলিশ কনস্টেবল হালিমা আক্তারকে উদ্ধার করে প্রথমে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে হালিমা মারা যান।
জানা যায়, এসআই মিজানুল ইসলামের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে এ নারী কনস্টেবলের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। কয়েক দিন ধরে এসআই মিজান কনস্টেবল হালিমাকে এড়িয়ে চলেন এবং নানাভাবে প্রতারণা শুরু করেন। এরই জেরে শরীরে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে হালিমা আত্মহত্যা করে।
গৌরীপুর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সীমা রানী সরকার জানান, ঘটনার তদন্ত চলছে। এসআই মিজান এর সঙ্গে জড়িত থাকলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
/এআর/







