ময়মনসিংহে প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে আট জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাদের মধ্যে তিন জন পরিক্ষার্থী ও পাঁচ জন অভিভাবক। শনিবার গনিত পরীক্ষার সময় তাদের গ্রেফতার করা হয়। রবিবার (১১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে জেলা ডিবি পুলিশের ওসি আশিকুর রহমান এ খবর জানান।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ময়মনসিংহ জিলা স্কুলের গেটের সামনে এক অভিভাবকের মোবাইলের ফেসবুক মেসেঞ্জারে প্রশ্নপত্র দেখতে পান দায়িত্বরত কর্মকর্তারা। তখন তাকে আটক করে পুলিশ। পরে তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী দাপুনিয়া থেকে ছয় জন ও বিদ্যাগঞ্জ থেকে এক জনকে আটক করা হয়।
তাদের বিরুদ্ধে কোতোয়ালি মডেল থানায় পৃথক তিনটি মামলা হয়েছে।
ওসি আশিকুর রহমান জানান, শহরের জিলা স্কুলের গেট থেকে পরীক্ষা শুরু হওয়ার পূর্বে ইসরাত জাহান নামে একজন মহিলা কিছু সংখ্যক পরীক্ষার্থীকে নিয়ে জটলা করতে দেখা যায়। পরে ম্যাজিস্ট্রেট মহিলাকে স্কুলের ভেতর নিয়ে যায়। তার মোবাইল ফোনে গণিত পরীক্ষার প্রশ্ন পাওয়া যায়। তখন তাকে আটক করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে মহিলা প্রশ্নপত্র ফাঁসের কথা স্বীকার করে এবং তার দেওয়া তথ্যে সদর উপজেলার দাপুনিয়া কাওয়ালটি ইসলামিয়া উচ্চ বিদ্যালয় থেকে খাইরুল ইসলাম (১৬), জাকারিয়া (১৬) ও ফজলে রাব্বি (১৬) নামের তিন পরীক্ষার্থীকে আটক করা হয়। ওই স্কুল থেকে আরিফুল ইসলাম, রাকিব মিয়া ও রফিকুল ইসলাম নামে তিন অভিভাবককেও আটক করা হয়। পরে সদর উপজেলার বিদ্যাগঞ্জ রাজবালা বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে সৌরভ বর্মন নামে আরও এক অভিভাবককে আটক করা হয়। এদের কাছে থাকা মোবাইল ফোনের মেসেঞ্জারে পরীক্ষার প্রশ্ন পওয়া গেছে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এস. এ নেওয়াজি বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘ময়মনসিংহে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁসরোধে পুলিশি তৎপরতা বাড়ানো হয়েছে। পরীক্ষাকেন্দ্রের পাশে গোয়েন্দা তৎপরতা রয়েছে।’








