শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে রবিবার ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের (মসিক) প্রথম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামী লীগের ইকরামুল হক টিটু বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ায় এই পদে কোনও ভোট হয়নি। সাধারণ কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে ভোট হয়েছে। সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত এই ভোট গ্রহণ চলবে। ভোট গ্রহণ শেষে স্থানীয় টাউন হলে অ্যাডভোকেট তারেক স্মৃতি মিলনায়তনে নির্বাচন কমিশনের রিটানিং কর্মকর্তা মো. আলীমুজ্জামান সব ওয়ার্ডের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করেন।
১ নম্বর ওয়ার্ডে ঘুড়ি প্রতীক নিয়ে আসাদুজ্জামান বাবু ৩৪৭৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছে, তার নিকটতম লাটিম প্রতীকে আব্দুল ওয়াদুদ ১৩৮০ ভোট পেয়েছেন।
২ নম্বর ওয়ার্ডে মিষ্টি কুমড়া প্রতীক নিয়ে মো. গোলাম রফিক দুদু ১৮১৪ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।
৩ নম্বর ওয়ার্ডে ঘড়ি প্রতীক নিয়ে মো. শরীফুল ইসলাম ২৯৮১ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।
৪ নম্বর ওয়ার্ডে রেডিও প্রতীক নিয়ে মো. মাহবুবুর রহমান ১৯১১ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।
৫ নম্বর ওয়ার্ডে রেডিও প্রতীক নিয়ে মো. নিয়াজ মোর্শেদ ১৩৭২ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।
৬ নম্বর ওয়ার্ডে ঠেলাগাড়ি প্রতীক নিয়ে সৈয়দ শফিকুল ইসলাম মিন্টু ২৮৩৬ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।
৭ নম্বর ওয়ার্ডে ঘুড়ি প্রতীক নিয়ে আসিফ হোসেন ডন ১৪৯০ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছে।
৮ নম্বর ওয়ার্ডে ঠেলাগাড়ী প্রতিক নিয়ে ফারুক হাসান ১৮৫৭ ভোট পেয়ে বেসরকারীভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।
৯ নম্বর ওয়ার্ডে মিষ্টি কুমড়া প্রতিক নিয়ে শীতল সরকার ২২৬১ ভোট পেয়ে বেসরকারীভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।
১০ নম্বর ওয়ার্ডে ঘুড়ি প্রতীক নিয়ে মো. তাজুল ইসলাম ১৮২৯ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।
১১ নম্বর ওয়ার্ডে লাটিম প্রতীক নিয়ে মোঃ ফরহাদ আলম ১৩৬৭ ভোট পেয়ে বেসরকারীভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।
১২ নম্বর ওয়ার্ডে ঘুড়ি প্রতীক নিয়ে আনিসুর রহমান ২০১১ ভোট পেয়ে বেসরকারীভাবে নির্বাচিত হয়েছে, তাঁর নিকটতম লাটিম প্রতীকে হানিফ মোঃ ওয়ালিউল্লাহ ১৩৭৭ ভোট পেয়েছেন।
১৩ নম্বর ওয়ার্ডে ঘুড়ি প্রতীক নিয়ে দেলোয়ার হোসেন ১৬২৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।
১৪ নম্বর ওয়ার্ডে লাটিম প্রতীক নিয়ে মো. ফজলুল হক ১৩৪১ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।
১৫ নম্বর ওয়ার্ডে ঠেলাগাড়ি প্রতীক নিয়ে মো. মাহবুব আলম হেলাল ২০৫০ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।
১৬ নম্বর ওয়ার্ডে ঘুড়ি প্রতীক নিয়ে মো. আব্দুল মান্নান ১৯২৯ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।
১৭ নম্বর ওয়ার্ডে টিফিন ক্যারিয়ার প্রতীক নিয়ে মো. কামাল খান ২০৫৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।
১৮ নম্বর ওয়ার্ডে ঠেলাগাড়ি প্রতীক নিয়ে হাবিবুর রহমান হবি ২৮১৯ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।
১৯ নম্বর ওয়ার্ডে মিষ্টি কুমড়া প্রতীক নিয়ে মো. আব্বাস আলী মণ্ডল ৩২০০ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।
২০ নম্বর ওয়ার্ডে লাঠিম প্রতীক নিয়ে মো. সিরাজুল ইসলাম ২১১৩ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।
২১ নম্বর ওয়ার্ডে লাটিম প্রতীক নিয়ে মো. মোস্তফা ফারুক ৯৭১ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।
২২ নম্বর ওয়ার্ডে ট্রাক্টার প্রতীক নিয়ে মো. মোস্তফা কামাল ১০১১ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।
২৩ নম্বর ওয়ার্ডে করাত প্রতীক নিয়ে মো. সাব্বির ইউনুস ১৭৩৪ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছে।
২৪ নম্বর ওয়ার্ডে টিফিন ক্যারিয়ার প্রতীক নিয়ে মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম ৯৪৫ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছে।
২৫ নম্বর ওয়ার্ডে টিফিন ক্যারিয়ার প্রতীক নিয়ে মো. মনোয়ার হোসেন ১১২৯ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছে।
২৬ নম্বর ওয়ার্ডে ঠেলাগাড়ি প্রতীক নিয়ে মো. শফিকুল ইসলাম ১৯৪৭ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছে।
২৭ নম্বর ওয়ার্ডে ঠেলাগাড়ি প্রতীক নিয়ে মো. শামসুল হক ১৯৭৭ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।
২৮ নম্বর ওয়ার্ডে ঘুড়ি প্রতীক নিয়ে কায়সার জাহাঙ্গীর আকন্দ ১৯৩৬ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছে।
২৯ নম্বর ওয়ার্ডে এয়ার কন্ডিশন প্রতীক নিয়ে মো. রফিকুল ইসলাম ১০২১ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছে।
৩০ নম্বর ওয়ার্ডে ঠেলাগাড়ী প্রতীক নিয়ে আবুল বাসার ১৫৭৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।
৩১ নম্বর ওয়ার্ডে টিফিন ক্যারিয়ার প্রতীক নিয়ে মো. আসাদুজ্জামান ৩১০৯ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।
৩২ নম্বর ওয়ার্ডে রেডিও প্রতীক নিয়ে মো. এমদাদুল হক মণ্ডল ২৩৮৩ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।
৩৩ নম্বর ওয়ার্ডে ট্রাক্টর প্রতীক নিয়ে মোঃ শাহজাহান ৪৫১৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।
১/২/৩ সংরক্ষিত ওয়ার্ডে স্টিল আলমারি প্রতীক নিয়ে সেলিনা আক্তার ৩৮০৬ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।
৪/৫/৬ সংরক্ষিত ওয়ার্ডে বই প্রতীক নিয়ে শাম্মী আক্তার মিতু ৪৮৫৯ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।
৭/৮/৯ সংরক্ষিত ওয়ার্ডে বই প্রতীক নিয়ে মোছা. হামিদা পারভীন ৩৩০৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।
১০/১১/১২ সংরক্ষিত ওয়ার্ডে হেলিকপ্টার প্রতীক নিয়ে রোকসানা শিরিন ২৩১০ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছে।
১৩/১৪/১৫ সংরক্ষিত ওয়ার্ডে চশমা প্রতীক নিয়ে রোকেয়া হোসেন ৪৫৯১ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।
১৬/১৭/১৮ সংরক্ষিত ওয়ার্ডে বই প্রতীক নিয়ে রোকসানা পারভীন কাজল ৪৪০৭ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।
১৯/২০/২১ সংরক্ষিত ওয়ার্ডে চশমা প্রতীক নিয়ে শামীমা আক্তার ৯৫৫৪ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।
২২/২৩/২৪ সংরক্ষিত ওয়ার্ডে বই প্রতীক নিয়ে শাহনাজ বেগম ৪৩০৯ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।
২৫/২৬/২৭ সংরক্ষিত ওয়ার্ডে চশমা প্রতীক নিয়ে আইরিন আক্তার ৪৯৬৪ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।
২৮/২৯/৩০ সংরক্ষিত ওয়ার্ডে মোবাইল ফোন প্রতীক নিয়ে কাউসার ই জান্নাত ৫৭২১ ভোট পেয়ে বেসরকারীভাবে নির্বাচিত হয়েছে, তাঁর নিকটতম বেহালা প্রতীকে মোছাঃ হামিদা ৫০১৫ ভোট পেয়েছেন।
৩১/৩২/৩৩ সংরক্ষিত ওয়ার্ডে বই প্রতীক নিয়ে মোছা. ফারজানা ববি কাকলী ৬৫৬৭ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।








