করোনার পরিস্থিতিতে মোকাবিলায় অসহায় মানুষকে সাহায্য করতে জনসমাগম এড়িয়ে বাড়ি বাড়ি ত্রাণ পৌঁছে দিয়েছেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান। জামালপুর জেলার সরিষাবাড়ী উপজেলার পিংনা ইউনিয়নের এক নম্বর ওয়ার্ডের ৫০০ দুস্থ পরিবারের বাড়িতে খাদ্যসামগ্রী নিয়ে যান তিনি। এছাড়াও জামালপুরের চিকিৎসকদের জন্য জেলা সিভিল সার্জনের হাতে ১০০ পিপিই হস্তান্তর করেছেন ডা. মুরাদ।
সোমবার (২০ এপ্রিল) রাত ৮টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত চলে এই বিতরণ কার্যক্রম। এই সময় কর্মহীন দিনমজুর, ভ্যানচালক, চা বিক্রেতাসহ নিম্ন আয়ের মানুষদের হাতে চাল, ডাল, তেল, আলু ও সাবানসহ নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী তুলে দেন ডা. মুরাদ হাসান।
সরকারের নির্দেশনার বাইরে কোনও কথায় কান না দিতে স্থানীয়দের প্রতি আহ্বান জানিয়ে ডা. মুরাদ বলেন, 'সবাই সর্তক ও সচেতন হোন। গুজবে কান দেবেন না। একটি মানুষও অভুক্ত থাকবে না এবং না খেয়ে মরবে না। করোনা পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রীর ৩১ দফা নির্দেশনা মেনে চলুন।'
ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রমে প্রতিমন্ত্রীকে সহযোগিতা করেন পিংনা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোতাহের হোসেন ও ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান।
এর আগে, সোমবার জামালপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর ভিডিও কনফারেন্সের পর সিভিল সার্জন ডা. আবু সাঈদ মোহম্মদ মাহবুবুর রহমানের হাতে চিকিৎসকদের জন্য একশ' পিপিই হস্তান্তর করেন প্রতিমন্ত্রী। এসময় জামালপুরের চিকিৎসকদের জন্য ব্যক্তিগত সুরক্ষা সরঞ্জাম (পিপিই), সার্জিক্যাল মাস্ক, ফেস মাস্ক, হেড শিলড ও স্যানিটাইজারসহ বিভিন্ন সামগ্রী দিয়েছন তিনি।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও জামালপুর-৩ (মেলান্দহ) আসনের এমপি মির্জা আজম, জামালপুর সদর আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মো. মোজাফ্ফর হোসেন, জামালপুর-২ (ইসলামপুর) আসনের সংসদ সদস্য মো. ফরিদুল হক খান দুলাল, জামালপুর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ফারুক আহম্মেদ চৌধুরী ও জামালপুরের জেলা প্রশাসক মো. এনামুল হক, শেখ হাসিনা মেডিক্যাল কলেজের পিডি ডা. মোশায়ের উল ইসলাম রতন, শেখ হাসিনা মেডিক্যাল কলেজের প্রিন্সিপাল ডা. আবু সালেহ, সিভিল সার্জন ডা. আবু সাঈদ মোহম্মদ মাহাবুবুর রহমান, ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. শফিকুজ্জামান, জামালপুর জেনারেল হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. হাবিবুর রহমান ফকির প্রমুখ।








