ভাঙন ঠেকাতে অপরিকল্পিত উপায়ে বালু উত্তোলন বন্ধের কথা বলেছেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক। তিনি বলেন, আমার যত প্রকল্পই করি না কেন, যদি বালু উত্তোলন বন্ধ না হয়, তাহলে লোহার বাঁধেও ভাঙন ঠেকানো যাবে না।’ সোমবার (১ নভেম্বর) দুপুরে জামালপুরের ইসলামপুরে কুলকান্দি হার্ডপয়েন্টে বাঁধের ভাঙন অংশ পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী এ সময় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের কাজে একটু ধৈর্য ধরতে হয়। এক বছর ফিজিবিলিটি স্টাডি করতে হয়। কারণ শুষ্ক মৌসুম ও মনসুন দেখে কাজের টেকসইয়ের বিষয়টি যাচাই করতে হয়।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ফরিদুল হক খান দুলাল, জামালপুর ও শেরপুরের নারী এমপি হোসনে আরা, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব রোকন উদ-দৌলা, পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাসচিব ফজলুর রশিদ প্রমুখ।
জানা যায়, ৯০ কোটি টাকা ব্যয়ে যমুনার ভাঙন প্রতিরোধে ইসলামপুরের কুলকান্দি হার্ডপয়েন্ট থেকে গুঠাইল হার্ডপয়েন্ট পর্যন্ত আড়াই হাজার মিটার বাঁধ নির্মাণ করা হয়। ২০২০ সালের জুন মাসে বাঁধের কাজ শেষ হয়। হঠাৎ গত বৃহস্পতিবার সকালে ইসলামপুরের কুলকান্দি এলাকায় যমুনার তীর রক্ষা প্রকল্পের ৯০ মিটার বাঁধ ধসে যায়।









