রমজান মাসে ১০ হাজার রোজাদারের হাতে ইফতার তুলে দেওয়ার কার্যক্রম হাতে নিয়েছে ‘ভলান্টিয়ার ফর বাংলাদেশ’ নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠানের শেরপুর জেলার সদস্যরা। তাদের উদ্যোগে জেলার পাঁচ উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ মোড়, বাজার, এতিমখানা, হেফজ মাদ্রাসা, মসজিদসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে পাঠানো হচ্ছে এই ইফতার।
সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সংযম ও শুদ্ধতার আলো ছড়িয়ে দিতে ইফতারে খুশি নামের এই প্রকল্প পরিচালনা করা হচ্ছে। এর আগে গেলো দুই বছরও রমজান মাসে এই কার্যক্রম চালিয়েছে সংগঠনটি। তারই ধারাবাহিকতায় চলতি রমজানে প্রায় ২০টি মাদরাসা ও ১০টি মসজিদসহ পাঁচ উপজেলার ১০ হাজার মানুষের হাতে ইফতার তুলে দেওয়ার কার্যক্রম্য চালিয়ে যাচ্ছে সংগঠনটির স্বেচ্ছাসেবীরা।
ভলান্টিয়ার ফর বাংলাদেশ শেরপুর জেলার তথ্যমতে, জেলার শ্রীবরদী উপজেলার গিলাগাছা এলাকাতে প্রতিদিন কাটারিভোগ চালের খিচুড়ি রান্নার পর প্যাকেজিংয়ের কাজ সম্পন্ন করা হয়। প্রতিটি প্যাকে ডিম, খেজুর, জিলাপি, শসা, লেবু সরবরাহ করা হয়। খিচুড়ির মেন্যুতে থাকে মুরগীর মাংস বা গরুর মাংস। নির্ধারিত ভ্যানে করে সংগঠনের স্বেচ্ছাসেবীরা একেক দিন একেক এলাকা ও উপজেলায় গিয়ে গুরুত্বপূর্ণ মোড়, বাজার, এতিমখানা, হেফজ মাদ্রাসা, মসজিদে ইফতারের ব্যবস্থা করেন।
তবে এবারের আয়োজনে গিলাগাছা এলাকার ছিন্নমূল ১২০টি পরিবারকে প্রতিদিন ইফতার পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। বাকি ইফতারগুলো সাধারণ রোজাদার, পথচারী, এতিম শিক্ষার্থী ও হেফজ মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের জন্য বিভিন্ন এলাকায় পাঠানো হয়।
ভলান্টিয়ার ফর বাংলাদেশ শেরপুর জেলার সভাপতি ইমরান হাসান রাব্বী বলেন, উচ্চমূল্যের বাজারে কোন কাজ শুরু করার সাহস করাটাও বেশ চ্যালেঞ্জিং। আমাদের এই প্রকল্পে অর্থায়নকারী সকল ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের প্রতি আমাদের অকৃত্রিম শ্রদ্ধা। যারা আমাদের অনুপ্রেরণা দিয়েও পাশে ছিলেন, তাদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা।









