সারাদেশে নৌ-পরিবহন ধর্মঘটের কারণে জ্বালানি তেল সংকট দেখা দিয়েছে কিশোরগঞ্জের ভৈরব ডিপোতে। ফলে সোমবার থেকে ১২ জেলায় তেল সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে। জাহাজ থেকে ডিপোতে তেল উত্তোলন করতে না পারায় এই সংকট তৈরি হয়েছে। জরুরি ভিত্তিতে তেল সরবরাহের ব্যবস্থা না হলে ভয়াবহ পরিস্থিতি সৃষ্টির আশঙ্কা করছেন তেল ব্যবসায়ীরা। এতে ব্যাহত হতে পারে বিভিন্ন যান চলাচল।
সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রাম থেকে নদী পথে লাইটার জাহাজে আসা জ্বালানি তেল ভৈরবের পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা ডিপোতে উত্তোলন করা হয়। পরে এই জ্বালানি তেল ভৈরব থেকে কিশোরগঞ্জ, নেত্রকোনা, ময়মনসিংহ, জামালপুর, শেরপুর, নরসিংদী, সুনামগঞ্জ, সিলেট, হবিগঞ্জ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ারসহ ১২ জেলায় সরবরাহ করা হয়। ভৈরবের তিনটি ডিপো থেকে জ্বালানি তেল সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান সড়ক পথে নিজস্ব ট্যাংকলরিতে এবং নদী পথে হাওরাঞ্চলে ট্রলারযোগে এসব তেল পাম্পসহ খুচরা ডিলারদের কাছে সরবরাহ করেন।
গত বৃহস্পতিবার (২১ এপ্রিল) থেকে দেশব্যাপী চলা নৌ-ধর্মঘটের কারণে ভৈরবের এ তিনটি ডিপোতে জাহাজ থেকে জ্বালানি তেল উত্তোলন বন্ধ রয়েছে। এছাড়া সর্বশেষ গত বুধবার জাহাজ থেকে উত্তোলিত তেলের মজুদও এরইমধ্যে শেষ হয়ে গেছে। ফলে তেলশূন্য হয়ে পড়েছে ডিপোগুলো। অথচ প্রতিটি ডিপোর জন্য আসা ৩০ থেকে ৩৫ লাখ লিটার তেল নিয়ে পাঁচটি জাহাজ নদীতে ভাসছে।
ভৈরব জ্বালানি তেল পরিবেশক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ মো. মোশাররফ হোসেন জানান, ডিপোতে জ্বালানি তেলের মজুদ শেষ হয়ে গেছে। ফলে তাদের কয়েক’শ ট্যাংকলরি ডিপোগুলোর সামনে বসে সময় পাড় করছে। এ নিয়ে বিভিন্ন জেলা উপজেলার ডিলারদের মধ্যে হাহাকার শুরু হয়ে গেছে। তারা মানসিক এবং আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। অচিরেই এ সমস্যার সমাধন চান তিনি।
/বিটি/এএইচ/








