যশোরের সাতমাইল এলাকার মথুরাপুরে ট্রেন-প্রাইভেট কার সংঘর্ষে শিশুসহ চারজন নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে। এ সময় আহত হন আরও দুইজন।
হতাহতদের মধ্যে চারজন পরস্পর আত্মীয়। নিহতরা হলেন যশোরের কেশবপুর উপজেলার চাঁচড়াইল গ্রামের রেজাউল কবীর রাজু (৩৮), প্রাইভেট কারের চালক কেশবপুরের বায়সা এলাকার আব্দুল হাকিম (৩২), সদর উপজেলার তীরেরহাট গ্রামের নিত্যপদ দাসের ছেলে সপ্তম শ্রেণিপড়ুয়া চয়ন (১৩) এবং তার নানি জয়া রাণী (৫৫)।
আহত হয়েছেন নিহত চয়নের মা দীপিকা রাণী (৩৫) ও তার ভাইয়ের ছেলে কেশবপুর উপজেলার ফতেখালি এলাকার বাঁধন দাস (২২)। আহত এই দুইজন যশোর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
দীপিকা রানী জানান, তারা একটি প্রাইভেট কারে কেশবপুর থেকে যশোরের তীরেরহাটে যাচ্ছিলেন। পথে সাতমাইল মথুরাপুরে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে একটি ট্রেনের সঙ্গে তাদের গাড়ির সংঘর্ষ হয়। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে।
যশোর রেলওয়ে পুলিশের (জিআরপি) আইসি ইদ্রিস আলী এবং এটিএসআই আজগর আলী জানান, সকালে খুলনা থেকে চিত্রা এক্সপ্রেস নামে ট্রেনটি রাজশাহীর দিকে যাচ্ছিল। পথে সাতমাইল-মথুরাপুর রেলক্রসিংয়ে ট্রেনের সঙ্গে প্রাইভেট কারের সংঘর্ষ হয়। তারা জানান, স্থানীয়রা আহতদের হাসপাতালে আনলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. কল্লোল কুমার সাহা তিনজনকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত দু’জনকে ভর্তি করা হয়।
স্থানীয়রা জানান, সংঘর্ষের পর সেখানে একজন নারীর মরদেহ পড়ে ছিল। সেই লাশটিই হচ্ছে জয়া রাণীর। তার মরদেহ হাসপাতালে আনা হয়নি। বর্তমানে সেটি দীপিকার শ্বশুর বাড়ি তীরেরহাটে রয়েছে বলে জানান স্থানীয় সাংবাদিক আমির হোসেন জুয়েল।
ঘটনাস্থল মথুরাপুরের বাসিন্দা আবদার রহমান জানান, প্রাইভেটকারটি যেখান দিয়ে ট্রেনলাইন পার হচ্ছিল সেখানে কোনও গেট বা গেটম্যান নাই।
আরও পড়ুন-
বিএনপির জাতীয় ঐক্যের আহ্বান ষড়যন্ত্রমূলক: হানিফ
বৈশ্বিক পদ্ধতিকেই দায়ী করলেন ড. আতিউর রহমান
/জেবি/এফএস/







