
জামালপুর জেলা শহরে অস্বাভাবিকহারে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা। এসব অটোরিকশার চালকরা ট্রাফিক আইন না মানায় প্রায়ই ঘটছে দুর্ঘটনা। অতিরিক্ত অটোরিকশার চাপে যানজটে নাকাল শহরবাসী।
ছোট এই জেলা শহরে মানুষের চলাচলে প্যাডেল রিকশাই ছিল ভরসা। গত কয়েক বছর এ জায়গা দখল করে নিয়েছে অটোরিকশা। অটোরিকশা ছাড়াও শহরে বেপরোয়াভাবে চলছে ভটভটি, নসিমন নামের ঝুঁকিপূর্ণ যান। অনভিজ্ঞ এসব যানের চালক, ফলে এ যানগুলো হয়ে উঠেছে বিপজ্জনক। অনেক কিশোরকেও অটো চালাতে দেখা যায়। ফলে প্রায়ই ঘটছে দুর্ঘটনা।
অটোর কারণ শহরে সৃষ্টি হচ্ছে ভয়াবহ যানজট। যানজটের কারণে অফিসগামী মানুষ ও শিক্ষার্থীরা সময় মতো গন্তব্যে পৌঁছাতে পারছে না। যানজটের কারণে প্রতিদিনই দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে শহরবাসী।

অটোরিকশায় শহর ছেয়ে গেলেও পৌর কর্তৃপক্ষের কোনও নিয়ন্ত্রণই নেই এসব যানের উপর।
জামালপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শরীফুল হক বলেন, শহরে বিকল্প রাস্তা না থাকায় এ যানজটের সৃষ্টি হয়। তা ছাড়াও রাস্তার দুপাশের ফুটপাতাগুলো দখল হয়ে যাওয়া পথচারীরা ফুটপাত ছেড়ে রাস্তা দিয়ে চলাচল করছে।
তিনি আরও বলেন, শহরের ভেতরে যেন নিষিদ্ধ যান ভটভটি না ঢুকতে পারে সে ব্যাপারে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ট্রাফিক বিভাগকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
জামালপুর পৌরসভার মেয়র মির্জা সাখায়াতুল আলম মনি বলেন, শহরের যানজট কমাতে ব্যাটারিচালিত ইজিবাইকগুলো নিয়ন্ত্রণের উদ্যোগ নিয়েছি। বাইরের ইজিবাইক যেন শহরে প্রবেশ করতে না পারে সেজন্য পৌরসভার পক্ষ থেকে আরও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। গত কয়েক দিন ধরে শহরে প্রবেশ পথে পাঁচটি রাস্তার চেকপোস্ট বসিয়ে শহরের বাইরের ইজিবাইক প্রবেশে বাধা দেওয়া হচ্ছে।
/এসএনএইচ/এসটি/








