ঝিনাইদহের উত্তর কাষ্ট সাগরা গ্রামের শ্রী শ্রী রাধামদন গোপাল মঠ মন্দিরের নিহত গোসাঁই শ্যামানন্দ দাসের নড়াইলের গ্রামের বাড়িতে চলছে শোকের মাতম। নড়াইল সদর উপজেলার কলোড়া ইউনিয়নের মুশুড়ী গ্রামে শুক্রবার সকালে তার মৃত্যুর খবর এসে পৌঁছায়। ছেলের মৃত্যুর সংবাদ পেয়েই নির্বাক হয়ে যান তার বৃদ্ধ মা। পরিবারের সদস্যদের কান্নায় বাড়িতে ওঠে শোকের মাতম।
নিহতের স্বজনরা জানান, মুশুড়ী গ্রামের কিরণ সরকারের চার ছেলে ও এক মেয়ের মধ্যে সবার ছোট ছিলেন শ্যামানন্দ দাস। তাকে (শ্যামানন্দ দাস) আদর করে গ্রামের সবাই ছোটমনি বলে ডাকতেন। শ্যামানন্দ দাসের প্রকৃত নাম প্রদ্যুৎ সরকার। মঠে যাওয়ার পর তিনি শ্যামানন্দ দাস নাম ধারণ করেন।
ছেলের মৃত্যুর সংবাদ পেয়ে শ্যামানন্দ দাসের আশি বছর বয়সী বৃদ্ধ মা চারুবালা সরকার নির্বাক হয়ে পড়েছেন। শ্যামানন্দ দাসকে এভাবে হত্যার বিষয়টিও মানতে পারছে না এলাকাবাসী। তারা এ হত্যার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।
নিহত শ্যামানন্দ দাসের শেষকৃত্য অনুষ্ঠান নড়াইলের গ্রামের বাড়িতে সম্পন্ন হবে বলে স্বজনরা জানিয়েছেন।
প্রসঙ্গত, শুক্রবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে শ্যামানন্দ দাস ঝিনাইদহ সদর উপজেলার উত্তর কাষ্ট সাগরা গ্রামে অবস্থিত মন্দিরের পাশে ফুল তোলার সময় তিন দুর্বৃত্ত মোটরসাইকেলে এসে তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে মারাত্মক জখম করে পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ঝিনাইদহ সদর হসপাতালে আনলে কর্তব্যরত ডাক্তার মৃত বলে ঘোষণা করেন।
আরও পড়ুন: আবারও ঝিনাইদহে মন্দিরে গোসাঁইকে কুপিয়ে হত্যা
/এমও/







