কুষ্টিয়ায় আশঙ্কাজনক হারে ডায়রিয়া রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৬০ থেকে ৭০ জন রোগী চিকিৎসার জন্য বিভিন্ন চিকিৎসাকেন্দ্রে যাচ্ছেন।
হাসপাতাল সূত্র জানায়, গত এক সপ্তাহে কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতালেই ডায়রিয়ায় আক্রান্ত অন্তত ৫০০ রোগী ভর্তি হয়েছে। এছাড়া জেলার বিভিন্ন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেও চিকিৎসা নিচ্ছেন ডায়রিয়ায় আক্রান্ত রোগীরা, এর মধ্যে বেশিরভাগই শিশু ও বৃদ্ধ। নোংরা পরিবেশ, দূষিত পানি ও বাসি-পচা খাবার থেকেই রোগীরা ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছেন বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
হাসপাতালে ভর্তি বিআরবিতে কর্মরত শ্রমিক মিরাজ হোসেন বলেন, কয়েকদিন আগে হঠাৎ ডায়রিয়া ও বমি শুরু হয়। তারপর হাসপাতালে ভর্তি হয়েছি। তিনদিন পার হয়েছে, এখন একটু ভালোর দিকে।
কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের সেবিকা মর্জিনা খাতুন জানান, পানিবাহিত জীবানু এবং ব্যাকটোরিয়ার কারণে বিশেষ করে শিশু ও নারীসহ বিভিন্ন বয়সের মানুষ ডায়রিয়া আক্রান্ত হচ্ছে। হাসপাতালের স্থান সংকুলান জনিত কারণে চিকিৎসা দিতে বেগ পেতে হচ্ছে।
কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক (আরএমও) ডা. তাপস কুমার সরকার জানান, শিশুদের মায়েদের সজাগ থাকা ও পচা-বাসি খাবার এড়িয়ে পানি বিশুদ্ধ করে খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।
কুষ্টিয়া মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের সহকারী অধ্যাপক ও শিশু বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ডা. মো. জমির উদ্দিন জানান, কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে সীমিত শয্যার ডায়রিয়া ওয়ার্ডে অতিরিক্ত রোগী ভর্তি হওয়ার কারণে অধিকাংশ রোগীকে হাসপাতালের বারান্দায় রেখে স্বল্পসংখ্যক জনবল দিয়ে চিকিৎসা সেবা দেওয়া হচ্ছে।
আরও পড়ুন: রংপুরে মন্দিরের পুরোহিতকে হত্যার হুমকি দিয়ে চিঠি, হিন্দুদের মধ্যে আতঙ্ক
/এআর/







