টাম্পাকো কারখানার ভেতরে এখনও আগুন জ্বলছে। দূর থেকে ভবনে দমকল বাহিনীর কর্মীরা পানি দিচ্ছে। এখনও ভেতরে ঢুকতে পারেনি তারা।
ফায়ার সার্ভিসের পরিচালক (উন্নয়ন ও প্রশিক্ষণ) মোশাররফ হোসেন বলেছেন, আগুন নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তবে পুরোপুরি নেভাতে দরকার আরও সময়। আমরা কাজ করে যাচ্ছি। ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ হওয়াতে এর ভেতরে এখনই প্রবেশ করা যাচ্ছে না। তবে ভেতরে পানি দেওয়া হচ্ছে।
ধ্বংসস্তূপের ভেতরে আরও মানুষ আছে কি নেই তা না স্তূপ না সরালে জানা যাবে না বলে জানিয়েছেন ফায়ার সার্ভিসের এই কর্মকর্তা। রবিবার সকালে ও দুপুরে ধসে যাওয়া ভবনের ভেতরে আগুন ও ধোঁয়া দেখা গেছে।
ভবনটির যে পাশের অংশ রাস্তায় ধসে পড়েছে সেখান থেকে উৎকট গন্ধ বের হচ্ছে। স্থানীয়রা জানিয়েছে, এই সড়কটিতে সবসময় অংসখ্য রিকশা থাকে। গতকাল এই সড়কে এক রিকশাচালক ও দুই যাত্রী নিহত হয়েছে। তাদের উপর ভবনের দুটি ছাদ ও এরিয়া দেয়ালের অংশ ধসে পড়েছিল।
সকালে শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে বলেন, গ্যাসের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ ঘেটেছে। আমনা সারাদেশের শিল্প কারখানার অগ্নি নির্বাপক বৌবস্থা আরও নিরাপদ করার জন্য কাজ করছি। আজ ঘটনাস্থল থেকে কোনও লাশ উদ্ধার হয়নি।
তবে জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে নিখোঁজদের বিষয় তথ্য নেওয়া হচ্ছে। কারখানার পাশেই তারা একটি বুথ তৈরি করেছে। দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন ড. কামাল হোসেন।
তিনি এজন্য দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন।
প্রসঙ্গত, শনিবার ভোর ৬ টায় টঙ্গির শিল্প এলকার টাম্পাকো ফয়েলন লিমিটেডে বিস্ফোরণের পর অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এসময় পাঁচতলা ভবনটি ধসে পড়ে। এ ঘটনায় এখন পযন্ত ২৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছে অর্ধশত মানুষ। দশ শ্রমিক নিখোঁজের খবর পপাওয়া গগেছে। ২৪ ঘন্টায়ও আগুন নেভাতে পারেনি ফায়ার সার্ভিস।
/এইচকে/
পড়ুন: দোষী যেই হোক ব্যবস্থা নেওয়া হবে: শিল্পমন্ত্রী








