এবার দিনাজপুরের ১৩টি উপজেলায় এক হাজার ২১৯টি মণ্ডপে দুর্গাপূজার আয়োজন করা হয়েছে। এরমধ্যে ২৬৬টি মণ্ডপকে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ এবং ৩০৬টি মণ্ডপকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
চট্টগ্রামের পর দিনাজপুরেই দেশের সর্বাধিক সংখ্যক দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে।
দিনাজপুর জেলা পুলিশ সুপার হামিদুল আলম জানান, ৭ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সব ধরনের নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। গোয়েন্দা সংস্থার গোপন প্রতিবেদনের ভিত্তিতে এক হাজার ২১৯টি মণ্ডপের মধ্যে ২৬৬টি অতি গুরুত্বপূর্ণ ও ৩০৬টি গুরুত্বপূর্ণ মণ্ডপ হিসেবে চিহ্নিত করে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ৬৪৭টি মণ্ডপ সাধারণ বলে গোয়েন্দা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
তিনি আরও জানান, জেলার ১৩টি উপজেলায় সাত হাজার ৯৫০ জন পুলিশ ও আনসার সদস্য মণ্ডপগুলোর সার্বক্ষণিক নিরাপত্তায় নিয়োজিত থাকবেন। এর মধ্যে সাত হাজার ২০০ জন পুরুষ ও নারী আনসার এবং ৭৫০ জন অস্ত্রধারী পুলিশ থাকবেন। অতি ঝুঁকিপূর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ মণ্ডপগুলোতে পুলিশ থাকলেও ঝুঁকিহীন মণ্ডপগুলোতে কেবল আনসার সদস্যরা নিরাপত্তামূলক দায়িত্বে নিয়োজিত থাকবেন।
জেলা দুর্গাপূজা সমন্বয় কমিটির সভাপতি পরিমল চক্রবর্তী তপন ও সাধারণ সম্পাদক সুব্রত মজুমদার ডলার বলেন, দর্শনাথীরা যেন শান্তিপূর্ণ ও নির্বিঘ্ন পরিবেশে প্রতিমা দর্শন ও ভক্তি-শ্রদ্ধা নিবেদন করতে পারেন সে লক্ষ্যে পুলিশ ও আনসারের পাশাপাশি সর্বস্তরের নাগরিকের সমন্বয়ে স্বেচ্ছাসেবক দল গঠন করে নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এছাড়াও প্রত্যেকটি মণ্ডপে তিনজন করে স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ করা হয়েছে। তাদের নাম ও মোবাইল নম্বর স্ব-স্ব এলাকার থানায় জমা দেওয়ার জন্য বলা হয়েছে।
পূজা উদযাপন পরিষদের জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক বিধান চক্রবর্তী বাসু জানান, এক হাজার ২১৯টি মণ্ডপের মধ্যে সদর উপজেলায় ১১৩টি, বিরলে ৯৪টি, বোচাগঞ্জে ৮৬টি, কাহারোলে ১০০টি, বীরগঞ্জে ১৫১টি, খানসামায় ১২০টি, চিরিরবন্দরে ১৫০টি, পার্বতীপুরে ১৪৬টি, ফুলবাড়িতে ৫৫টি, বিরামপুরে ৩৫টি, নবাবগঞ্জে ৮০টি, হাকিমপুরে ১৭টি, ঘোড়াঘাটে ৩৭টি এবং দিনাজপুর পৌরসভা এলাকায় ৩৪টি পূজা মণ্ডপে শারদীয় দুর্গোৎসবের আয়োজন চূড়ান্ত করা হয়েছে।
তিনি জানান, এরমধ্যে প্রায় ৫০টি পারিবারিক উদ্যোগে পূজা অনুষ্ঠিত হবে।
/বিটি/








