জাবিতে অনশনের তৃতীয় দিনে ৩ শিক্ষার্থী অসুস্থ

জাবি প্রতিনিধি
১৭ জুলাই ২০১৭, ১০:৪৭আপডেট : ১৭ জুলাই ২০১৭, ১০:৪৭



জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে সোমবার তৃতীয় দিনের মতো আমরণ অনশন। ছবি- প্রতিনিধি উপাচার্যের বাসভবন ভাঙচুর ও শিক্ষক লাঞ্ছনার অভিযোগে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে সোমবার তৃতীয় দিনের মতো আমরণ অনশন পালন করছেন শিক্ষার্থীরা। এতে অনশনরত তিন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েছেন।

তারা হলেন ইংরেজি বিভাগের ৪২ তম আবর্তনের শিক্ষার্থী সরদার জাহিদুল ইসলাম, একই বিভাগের ও আবর্তনের তাহমিনা জামান এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের ৪০ তম আবর্তনের শিক্ষার্থী পূজা বিশ্বাস। তাদের প্রত্যেককেই স্যালাইন দেওয়া হচ্ছে।

এর আগে গত শনিবার দুপুর দুইটায় পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই শহীদ মিনারে অনশনে বসেন সরদার জাহিদুল ইসলাম। পরে তার সঙ্গে যোগ দেন পূজা বিশ্বাস ও তাহমিনা জামান। এরপর  রবিবার অনশনে বসেন আইন ও বিচার বিভাগের ৪৩ তম আবর্তনের খান মুনতাসির আরমান এবং দর্শন বিভাগের ৪৫ তম আবর্তনের শিক্ষার্থী ফয়সাল আহমেদ রুদ্র।

অনশনরতদের মধ্যে জাহিদুল ও পূজার বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসক আনিছুর রহমান বলেন, ‘অনশনরত শিক্ষার্থীদের রক্তচাপ কমে গেছে। গতরাতে যা আরও কম ছিল। কিছু না খাওয়ায় তাদের শরীরে শর্করাসহ অন্যান্য উপাদান কমে গেছে। রাত থেকে তাদেরকে স্যালাইন দেওয়া হচ্ছে। জরুরি প্রয়োজনে সেখানে অ্যাম্বুলেন্স রাখা আছে।’

অনশনরত সরদার জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘অনশন পালনকারী সবাই শারীরিকভাবে অনেক দুর্বল হয়ে পড়েছি। মামলা প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত এখান থেকে উঠবো না। অনশন চালিয়ে যাবো।’

এদিকে, রবিবার শিক্ষার্থীদের অনশনের মুখে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফারজানা ইসলাম জরুরি সিন্ডিকেট সভা ডাকলেও সেখানে মামলা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত হয়নি। 

উল্লেখ্য, সড়ক দুর্ঘটনায় দুই শিক্ষার্থী নিহতের প্রতিবাদে গত ২৭ মে সড়ক অবরোধকালে পুলিশি হামলার জেরে উপাচার্যের বাসভবন ভাঙচুর করে শিক্ষার্থীরা। এসময় কয়েকজন শিক্ষক লাঞ্ছিত হন বলে অভিযোগ ওঠে। পরে ৩১ শিক্ষার্থীর নাম উল্লেখপূর্বক অজ্ঞাতনামা অন্তত ৫০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। ওই রাতেই ১০ ছাত্রীসহ ৪২ শিক্ষার্থীকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরদিন বিকালে জামিনে মুক্তি পান তারা।  

 /এনআই/

 

সম্পর্কিত
সর্বশেষ খবর
‘ক্রিয়েটিভ ইকোনমি’ কী, কেন এত গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার 
‘ক্রিয়েটিভ ইকোনমি’ কী, কেন এত গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার 
আসামিপক্ষের আইনজীবী নিয়ে সমালোচনা, যা বললেন মূসা কালিমুল্লাহ
শিশু রামিসা হত্যা মামলাআসামিপক্ষের আইনজীবী নিয়ে সমালোচনা, যা বললেন মূসা কালিমুল্লাহ
প্রায় দ্বিগুণ হচ্ছে বিমানের ছয় হাজার কর্মীর ভাতা
প্রায় দ্বিগুণ হচ্ছে বিমানের ছয় হাজার কর্মীর ভাতা
পুলিশের পোশাকে ‘ধর্ষককে’ নেওয়া হলো থানায়, ১৩ দিনে আদালতে অভিযোগপত্র
পুলিশের পোশাকে ‘ধর্ষককে’ নেওয়া হলো থানায়, ১৩ দিনে আদালতে অভিযোগপত্র
সর্বাধিক পঠিত
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী