বগুড়ায় ধর্ষণ ও মা-মেয়েকে নির্যাতন: রুমকিসহ ৭ জনের রিমান্ড মঞ্জুর

বগুড়া প্রতিনিধি
৩১ জুলাই ২০১৭, ১৮:০০আপডেট : ৩১ জুলাই ২০১৭, ১৯:৪২

বগুড়ায় ধর্ষণ মামলার অন্যতম আসামিরা বগুড়ায় শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ ও মাসহ তার মাথা ন্যাড়া করে দেওয়ার ঘটনায় দায়ের মামলায় কাউন্সিলর মর্জিয়া হাসান রুমকিসহ সাত জনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। এর মধ্যে রুমকির চারদিনের রিমান্ড এবং বাকি ছয় আসামির দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছে। সোমবার (৩১ জুলাই) বগুড়া সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শ্যাম সুন্দর রায় এই রিমান্ড মঞ্জুর করেন।  

রিমান্ড মঞ্জুর হওয়া আসামিরা হলেন বগুড়া পৌরসভার ২ নম্বর সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলর রুমকি, তার বোন তুফানের স্ত্রী আশা, তাদের মা রুমা খাতুন, বাবা জামিলুর রহমান রুনু, তুফানের গাড়িচালক জিতু, তুফানের সহযোগী মুন্না।

বগুড়া ডিবি পুলিশের একটি দল রবিবার সন্ধ্যায় পাবনা শহর থেকে রুমকি, তার মা রুমা খাতুন এবং রাত ৮টায় বগুড়া শহরের বাদুড়তলা থেকে রুমকির বাবা জামিলুর রহমান রুনু এবং রাত ১১টায় ঢাকার সাভারের হেমায়েতপুর এলাকা থেকে ঢাকায় পালিয়ে যাওয়ার সময় তুফানের স্ত্রী আশা, সহযোগি মুন্না ও গাড়ি চালক জিতুকে গ্রেফতার করা হয়।

এর আগে রবিবার তুফান সরকার (২৮), তার সহযোগী আলী আজম  দিপু (২৫) ও রুপমের (২৪) তিনদিনের মঞ্জুর করেন আদালত।

উল্লেখ্য, বগুড়ার এক কিশোরীকে কলেজে ভর্তি করানোর নামে গত ১৭ জুলাই তাকে নিজ বাড়িতে কৌশলে ডেকে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে তুফান সরকারের বিরুদ্ধে। তুফানের স্ত্রী এ ঘটনা জানতে পেরে স্বামীকে দায়ী না করে কিশোরীটিকেই ঘটনার জন্য দায়ী করে এবং সংরক্ষিত আসনের স্থানীয় ওয়ার্ড কমিশনার মার্জিয়া হাসান রুমকির মাধ্যমে শুক্রবার (২৮ জুলাই) শালিস সভা বসিয়ে নির্যাতিতা ও তার মায়ের চুল কেটে দেয়। পরে নাপিত ডেকে তাদের ন্যাড়া করিয়ে এলাকা ছাড়া করার হুমকি দেয়। স্থানীয়রা তাদের হাসপাতালে ভর্তি করালে সে রাতেই তুফানসহ তার তিন সহযোগীকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ২৯ জুলাই শনিবার তুফানসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন নির্যাতনের শিকার ওই কিশোরী। এ ঘটনার পর রবিবার তুফানকে শ্রমিকলীগ থেকে বহিষ্কার করা হয়। তিনি বগুড়া শহর শ্রমিক লীগের আহ্বায়ক ছিলেন।

/বিএল/

এ সংক্রান্ত আরও খবর:

সম্পর্কিত
সর্বশেষ খবর
শুরু হচ্ছে প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের ড্রেস ও জুতা বিতরণ
শুরু হচ্ছে প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের ড্রেস ও জুতা বিতরণ
সেই কুমির ফেরত চান মাজারের খাদেম যুবদল নেতা
সেই কুমির ফেরত চান মাজারের খাদেম যুবদল নেতা
পিতার সৃজনকর্ম নিয়ে আলোচক যখন নুহাশ হুমায়ূন
পিতার সৃজনকর্ম নিয়ে আলোচক যখন নুহাশ হুমায়ূন
রাশিয়া যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান
রাশিয়া যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান
সর্বাধিক পঠিত
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী
ট্রাম্পকে বড় ধাক্কা: মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদে যুদ্ধবিরোধী প্রস্তাব পাস
ট্রাম্পকে বড় ধাক্কা: মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদে যুদ্ধবিরোধী প্রস্তাব পাস