দেশের দক্ষিণ ও পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার মেলবন্ধন পাটুরিয়া ঘাটে নেই দূরপাল্লার কোচের বাড়তি চাপ। তবে প্রাইভেটকার ও মাইক্রোবাসের চাপ বৃদ্ধি পেলেও নেই যাত্রী ভোগান্তি নেই। বৃহস্পতিবার বেলা ১২টা নাগাদ পাটুরিয়া ঘাট ও অভ্যন্তরীণ সংযোগ সড়ক মিলিয়ে প্রায় পাঁচশ’ প্রাইভেটকার ফেরি পারের অপেক্ষায় রয়েছে। তবে পদ্মা নদীতে তীব্র স্রোতের কারণে ফেরি চলাচলে সময় লাগছে দ্বিগুণ। যার কারণে যানবাহন পারাপার হ্রাস পাচ্ছে।
এদিকে পাটুরিয়া ফেরিঘাটে যানবাহনের বাড়তি চাপ নিয়ন্ত্রণে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের মানিকগঞ্জের বিভিন্ন স্থানে মাঝে মধ্যে গাড়ি থামিয়ে রাখা হচ্ছে। ফলে ঘাটে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে না।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি) আরিচা এরিয়া অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার আজমল হোসেন জানান, এই রুটে আজ ১৮টি ফেরি বিরামহীনভাবে যানবাহন পারাপারে নিয়োজিত রয়েছে। ফেরিগুলোতে যদি কোনও বড় ধরনের যান্ত্রিক সমস্যা দেখা না দেয় তাহলে নারীর টানে ছুটে চলা মানুষ নির্বিঘ্নে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারবে।
পাটুরিয়া ঘাটের সার্বিক পরিস্থিতি দেখভালের দায়িত্বে আছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জাকির হোসেন। তিনি জানান, যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে তারা সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছেন। সিরিয়াল ভেঙে কোনও গাড়ি ফেরিতে উঠতে দেওয়া হচ্ছে না।
সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, এবার ঈদুল আজহা উপলক্ষে ফেরিঘাটসহ ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের মানিকগঞ্জ থেকে পাটুরিয়া ঘাট পর্যন্ত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে প্রায় পাঁচ শতাধিক পুলিশ সদস্য রয়েছে।
এদিকে, বুধবারও ফেরিঘাটের চিত্র ছিল স্বাভাবিক। বুধবার দুপুরে ঘাট এলাকা ঘুরে দেখা যায়, ফেরিঘাট থেকে যানবাহনের সারি মাত্র এক কিলোমিটার পর্যন্ত ছড়ায়।








